kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


একদিন হয়ত শচীনকেও ছাড়িয়ে যাব: কুক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৪১



একদিন হয়ত শচীনকেও ছাড়িয়ে যাব: কুক

সদ্যজাত সন্তানের মুখ দেখে গত সোমবার বাংলাদেশে ফিরেছেন ইংলিশ টেস্ট অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক। আগামীকালের ম্যাচে টস করার সাথে সাথেই তিনি সর্বোচ্চ টেস্ট খেলা ইংলিশ ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখাবেন।

সেই মহেন্দ্রক্ষণের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন কুক।

১৩৪তম ম্যাচ খেলার আগে দেশের হয়ে এই রেকর্ড গড়ার সুযোগ পেয়ে স্বভাবতই উচ্ছসিত কুক। দেশের হয়ে সর্বাধিক টেস্ট খেলার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে গর্ব অনুভব করছেন কুক। তা করবেন নাই বা কেন? টেস্ট ক্রিকেটের জন্মস্থানে কত বাঘা বাঘা ক্রিকেটারের জন্ম। তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে এবার আন্তার্জাতিক রেকর্ডের দিকে নজর কুকের। আজ পর্যন্ত টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে তার চাইতে বেশি টেস্ট খেলেছেন মাত্র ১২ জন ক্রিকেটার। আগামীকাল ম্যাচে নামতেই কুক ভাগ বসাবেন কুমার সাঙ্গাকারা এবং ভিভিএস লক্ষণের ম্যাচ সংখ্যার রেকর্ডে। উভয়েই ১৩৪টি করে টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু কুকের লক্ষ্য আরও দূরে। ২০০ টেস্ট খেলে সবার প্রথমে থাকা শচীন টেন্ডুকারের রেকর্ড ভাঙ্গতে চান কুক!

৩১ বছর বয়সী কুকের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল এই ভারতেই। তখন তার বয়স ছিল ২১। ১৩৩ ম্যাচ খেলে ৪৭.৩১ গড়ে তার রান ১০,৫৯৯।   ২৯টি সেঞ্চুরি এবং ৫১টি হাফসেঞ্চুরির মালিক কুকের সর্বোচ্চ রান ২৯৪। অন্যদিকে ক্রিকেট বিশ্বের মহানায়ক শচীন টেন্ডুলকার ২০০ টেস্ট ম্যাচে ৫৩.৭৮ গড়ে করেছেন ১৫,৯২১ রান। ৫১ সেঞ্চুরি এবং ৬৮ হাফসেঞ্চুরি করে তিনি সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে। একটি বিষয়ে এখন টেন্ডুলকারের চাইতে এগিয়ে কুক। তিনি শচীনের সবচেয়ে কম বয়সে ১০০০০ রান করার রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছেন। এবার ম্যাচের সংখ্যার দিক দিয়ে হলেও টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলতে চান কুক। কিন্তু এই ৩১ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে আর কতদিন খেলতে চান কুক?

কুকের সরস জবাব, “ইদানিং আমরা খুব ঘনঘন টেস্ট খেলছি। এটাই টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙ্গার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। ”

উল্লেখ্য, আগামী ১২ মাসে কমপক্ষে ১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচগুলোতে দারুণ ফর্মে থাকা অ্যালিস্টার কুককে নিয়ে আপাতত কোনো সন্দেহ নেই। তাছাড়া গত বিশ্বকাপের মাস দুয়েক আগে থেকেই কুক ইংল্যান্ডের ওয়ানডে দলে নেই। দলে ফেরার তেমন কোনো সম্ভাবনাও নেই। এটাও ফিটনেসের ক্ষেত্রে একটি বড় ব্যাপার হিসেবে দেখছেন তিনি-“এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, ওয়ানডে ক্রিকেটে না খেলায় আমি অনেকটাই ভারমুক্ত হয়েছি। শারীরিক এবং মানসিক বিশ্রামের জন্য অনেক সময় পাচ্ছি। ”


মন্তব্য