kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামলেই কুকের রেকর্ড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১২:৪৯



বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামলেই কুকের রেকর্ড

টেস্টের জনকদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়! কথাটার ওজনই অনেক বেশি। এখন এই রেকর্ডটা ভাগাভাগি করছেন অ্যালিস্টার কুক।

কিন্তু বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামলেই রেকর্ডটা শুধুই তার হয়ে যাবে। কুক হবেন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বাধিক টেস্ট খেলা খেলোয়াড়।

দশ বছর আগে এই যাত্রা শুরু কুকের। তখন ২১ বছরের যুবা। এই উপমহাদেশেই হয়েছিল তার টেস্ট অভিষেক। ভারতের নাগপুরে। ৬০ ও ১০৪ রানের ইনিংস দিয়ে শুরু। মানে অভিষেকেই সেঞ্চুরি। ১৩৩ টেস্ট। ১০,৫৯৯ রান। ২৯টা সেঞ্চুরি। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান। দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। টেস্ট ইতিহাসে কনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে দশ হাজার রানের রেকর্ডটা কিছুদিন আগে নিজের অধিকারে নিয়েছেন গ্রেট শচীন টেন্ডুলকারের কাছ থেকে।
 
তবু ১৩৪তম টেস্টটা চট্টগ্রামে যখন খেলতে নামবেন মনের মাঝে ভিন্ন এক অনুভূতি ঠিক খেলা করবে কুকের। ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ছাড়িয়ে যাবেন সাবেক অধিনায়ক অ্যালেক স্টুয়ার্টকে। স্টুয়ার্টও ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। বয়স ৩১ বলে আরো অনেক টেস্ট খেলার সুযোগ থাকবে কুকের। অভিষেকের পর দেশের মাত্র ১টি টেস্ট ম্যাচ মিস করেছেন। গত বছরের গোড়ায় তার ওয়ানডে অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া হলো। ওয়ানডে দলেও আর কখনো জায়গা হলো না। ক্যারিয়ার শেষে সেটাই হয়তো কুকের জন্য শাপে বর হতে পারে। কারণ, তাতে সীমিত ওভারের অস্থীর ক্রিকেট যুগেও দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে যে কুকের ক্যারিয়ারের আয়ু বাড়বে!

সোয়াশো বছরের বেশি সময়ে টেস্ট ইতিহাসে কুকের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড আছে আর ১২ জনের। কতো গ্রেট ক্রিকেটারকেই যে পেছনে ফেলেছেন এই ইংলিশ ওপেনিং ব্যাটসম্যান! তব সেবার আগে আছেন টেন্ডুলকার (২০০ ম্যাচ)। তারপর একে একে আসে রিকি পন্টিং (১৬৮), স্টিভ ওয়া (১৬৮), জ্যাক ক্যালিস (১৬৬), শিবনারায়ন চন্দরপল (১৬৪), রাহুল দ্রাবিড় (১৬৪), অ্যালান বোর্ডার (১৫৬), মাহেলাপ জয়াবর্ধনে (১৪৯), মার্ক বাউচার (১৪৭), শেন ওয়ার্ন (১৪৫), ভিভিএস লক্ষ্মন (১৩৪) ও কুমার সাঙ্গাকারার (১৩৪) নাম। বৃহস্পতিবার সাঙ্গাকারাকে স্পর্শ করবেন কুক। এরপর আর কাকে কাছে ছাড়িয়ে কোথায় গিয়ে থামবেন তা কেবল বলতে পারে সময়।


মন্তব্য