kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ক্রিকেটে পাকিস্তানকে শতভাগ "হ্যাঁ" অথবা "না" বলুন: আজহারউদ্দিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:০৩



ক্রিকেটে পাকিস্তানকে শতভাগ

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যত বিষয়ে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত দরকার বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক আজহারউদ্দিন। পাকিস্তানের সঙ্গে নিজ দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আজহার বলেন, "হয় আপনি সব কিছু উন্মুক্ত করুন নতুবা কিছুই না।

"

২০০৮ এশিয়া কাপে অংশ নিতে সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। একই বছর মুম্বাই হামলার পর পার্শ্ববর্তী দেশটিতে সফর থেকে বিরত আছে ভারতীয়রা। এরপর ২০১২ সালে সংক্ষিপ্ত সিরিজের জন্য ভারত সফর করে পাকিস্তান দল। আনুষ্ঠানিক নিষিদ্ধাদেশ না থাকলেও ২০০৯ সাল থেকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) নিলামে কোন দলই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের নিচ্ছে না।

তবে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ম্যাচ কর্মকর্তা এবং কোচিং স্টাফরা ঠিকই আইপিএলে অংশ নিচ্ছে। যা আজহারের দৃষ্টিতে ঠিক নয়।

স্থানীয় সেভেন ডেজ ওয়েবসাইটকে আজহার বলেন, "আমি মনে করছি বিষয়টা দুই দেশের সরকারের পর্যায়ে চলে গেছে। "

"আপনাকে হয় শতভাগ হ্যাঁ অথবা শতভাগ না বলতে হবে। ধারাভাষ্যকার এবং আম্পয়াররা পাকিস্তান থেকে আসছে। কিন্তু পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অনুমতি দিচ্ছেন না, এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার। "

আইপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয় অতি সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে কোন প্রকার ক্রিকেট খেলতে ভারত অস্বীকার করায় প্রশ্নটি বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। বৈশ্বিক কোন টুর্নামেন্টেও পাকিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে না ফেলতে আইসিসি"র কাছে অনুরোধ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর।

২০১৫ সালে ভারত-পাকিস্তান প্রস্তাবিত সিরিজটি নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রস্তাবটিও বিসিসিআই প্রত্যাক্ষাণ করলে ক্রিকেট বিশ্বে দারুণ হতাশার সৃষ্টি হয়।

এমনকি নিরাপত্তার কারণে নিজ মাঠে গত টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ম্যাচের ভেন্যুও পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় বিসিসিআই।

আজহার বলেন, "রাজনৈনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও উভয় দেশর ভক্তরাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে উদগ্রীব। কিন্তু দুই দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সব কিছু কিন্তু বন্ধ নেই। তাই দুই দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের বিষয়ে দুই দেশের সরকারেরই শতভাগ স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে। "


মন্তব্য