kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেষ আঘাতের পথ দেখালেন মাশরাফি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৫৯



শেষ আঘাতের পথ দেখালেন মাশরাফি

শফিউল ইসলাম জোড়া আঘাত হেনে আশাটা ধরে রেখেছিলেন। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ফিরিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জস বাটলারকে (২৫)।

৫ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে তাও সুবিধাজনক অবস্থানে ইংল্যান্ড। ৫৪ বলে আর ৪৯ রান দরকার তাদের। বেন স্টোকস (২৮) ও মঈন আলি (১) ব্যাট করছেন। ইংল্যান্ডের জয়ের টার্গেট ২৭৮। এখনো সিরিজ জেতার হাল ছাড়েনি টাইগাররা। শেষ আঘাতের পথ দেখিয়েছেন মাশরাফি।

চট্টগ্রামের এই স্টেডিয়ামে ২০১১ বিশ্বকাপে অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন শফিউল ইসলাম। তার ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডকে শাসরুদ্ধকর ম্যাচে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। পেসার শফিউল এবার খুব দরকারে জ্বলে উঠলেন আবার। ইংল্যান্ডের ২ সেট ব্যাটসম্যানকে আউট করেছেন। ২ উইকেটে ১৭২ রান ছিল ইংল্যান্ডের। বেন ডাকেট হুমকি দিচ্ছিলেন। জনি বেয়ারস্টো সেট হচ্ছিলেন। এই সময় শফিউল তুলে নিয়েছেন বেয়ারস্টোর (১৫) উইকেট। পরের ওভারেই দারুণ খেলতে থাকা ডাকেটকে (৬৩) তুলে নেন শফিউল।   উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মুশফিকুর রহিম। ৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ফেরার আশা জাগিয়ে তোলে টাইগাররা। এরপর বাটলার-স্টোকস জুটি এগিয়ে যান। কিন্তু মাশরাফির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ইংলিশ অধিনায়ক। এর আগে ১২৭ রানের সময় স্যাম বিলিংসকে (৬২) ফিরিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৬৩ রানের সময় নাসির হোসেন তুলে নেন জেমস ভিন্সের (৩২) উইকেট। এখন দ্রুত আরো আঘাত হেনে টাইগারদের ধসিয়ে দেওয়া দরকার প্রতিপক্ষকে। নইলে ম্যাচের সাথে সিরিজও হারত হবে।

এর আগে স্পিনের কাছে বিপর্যস্ত হয়ে খুব বিপদেই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৭ ইনিংস পর ফিফটি করে মুশফিকুর রহিম স্লগ ওভারে বাঁচালেন বাংলাদেশকে। তার সাথে সপ্তম উইকেটে ৭১ বলে ৮৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়া মোসাদ্দেক হোসেনের বীরত্বের কথাও বলতে হবে। ১৯২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও তাই লড়ার মতো স্কোর টাইগারদের। টস হেরে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটেই ২৭৭ রান করেছে। ৬২ বলে ৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৬৭ রান মুশফিকের। ৩৯ বলে ৪ চারে অপরাজিত ৩৮ রান মোসাদ্দেকের।

দারুণ গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে শুরু আর শেষে দারুণ টাইগাররা। মাঝখানে বেশ হতাশা। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবাল (৬৮ বলে ৪৫) ও ইমরুল কায়েস (৫৮ বলে ৪৬ রান) ৮০ রানের জুটি গড়লেন। এরপর লেগ স্পিনার রশিদ ৪ উইকেট নেন তার টানা ১০ ওভারের স্পেলে। এক পর্যায়ে ১৬ রানের মধ্যে নামী ৩ ব্যাটসম্যান হারায় স্বাগতিকরা। ওখান থেকে রুখে দাঁড়ানো মুশফিক ও মোসাদ্দেকের ব্যাটে। মাহমুদ উল্লাহ (৬), সাব্বির রহমান (৪৬ বলে ৪৯), সাকিব আল হাসান (৪) ও নাসির হোসেনকে (৪) হারানোর পর মুশফিক ও মোসাদ্দেকের হার না মানা লড়াইয়ে লড়ার মতো পুঁজি পান বোলাররা।


মন্তব্য