kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিউজিল্যান্ডকে ৩২১ রানে হারিয়ে ম্যাচ ও সিরিজ ভারতের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:০৭



নিউজিল্যান্ডকে ৩২১ রানে হারিয়ে ম্যাচ ও সিরিজ ভারতের

তৃতীয় টেস্টে ৩২১ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টেস্ট সিরিজ পকেটে পুরল টিম ইন্ডিয়া। মঙ্গলবার হোলকরের পিচে ফের ভেল্কি দেখাল অশ্বিন-ঘূর্ণি।

দুই ইনিংসে অফ স্পিনারের সংগ্রহ মোট ১৩ উইকেট।

চতুর্থ দিনে ইন্দোর টেস্টে আধিপত্য বজায় রেখে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজে জয়ের নিশান ওড়াল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঝুলিতে এল ৭ উইকেট। এই নিয়ে মোট ২১ বার এক ইনিংসে তিনি পাঁচ উইকেট নিলেন। ৩২১ রানে তৃতীয় টেস্ট জয়ের পিছনে প্রধান অবদান নিঃসন্দেহে এই অফ স্পিনারের। টেস্ট দল হিসেবে প্রথম স্থান বহাল রাখল কোহলির টিম।

হোলকর পিচে অশ্বিনের কব্জির মোচড়ে কাঁপন ধরল কিউয়ি ব্যাটিং লাইন আপে। অতীতেও চতুর্থ দিনে এই পিচ বিশ্বের তাবড় ব্যাটসম্যানের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার নজির রেখেছে। তবে সিরিজ জুড়ে বারতের বোলিং শক্তির সামনে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার ব্যাপারে নিউ জিল্যান্ড সমীহ আদায় করেছে বলেই সন্দেহের অবকাশ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু কেরিয়ার সেরা ৭/৫৯ পারফর্ম্যান্সের সৌজন্যে দিনের শেষে দলকে জয়ীর আসনে বসালেন বিশ্বের সেরা অফস্পিনারই। দুই ইনিংসে মোট ১৪০ রান খরচ করে অশ্বিনের শিকার ১৩ উইকেট। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্য সিরিজের পুরস্কার তাঁর মুকুটে নয়া পালক যুক্ত করল।

এদিন কেন উইলিয়ামসনকে ২৭ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠানোর সুবাদে কিউয়ে শিবিরে ত্রাস তৈরি করেন অশ্বিন। এরপর লিউক রঞ্চি (১৫), মিচেল স্যান্টনার (১৪) এবং জিতন পটেল (০) তাঁর শিকার হন। পাশাপাশি, গাপ্টিল ও নিশ্যামকে ফিরিয়ে দেন রবীন্দ্র জাডেজা। কিছুটা লড়াই পাওয়া গিয়েছিল রস টেলরের ব্যাট থেকে। পাঁচটি বাউন্ডারি এবং একটি বিশাল ওভারবাউন্ডারির দৌলতে ভারতীয় স্পিনারদের তিনি যখন চ্যালেঞ্জ জানাতে শুরু করেছেন, ঠিক সেই সময় সরাসরি তাঁকে ৩২ রানে বোল্ড করেন অশ্বিন।

গতকাল কোনও উইকেট না হারিয়ে এদিন সকালে ব্যাট করতে নেমে তিন উইকেটে ২১৬ রান তোলার পরে ডিক্লেয়ার করেন অধিনায়ক কোহলি। চেতেশ্বর পুজারা তাঁর অষ্টম শতরানটি এদিনই করে ফেলেন। অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করার পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন গৌতম গম্ভীর। ৪৭৫ রানের বিশাল টার্গেট সামনে রেখে ব্যাট করতে নামে নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু অশ্বিন ও জাডেজার জোড়া স্পিন-ফলার সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করা ছাড়া তাঁদের কিছু করার ছিল না।


মন্তব্য