kalerkantho


তামিম বনাম ইংল্যান্ড : কী বলছে পরিসংখ্যান?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:১০



তামিম বনাম ইংল্যান্ড : কী বলছে পরিসংখ্যান?

তিনি তামিম ইকবাল। তাকে ছাড়া ইনিংস শুরু করার কথা ভাবা এখনো কঠিন। সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন। তার ১১৮ রানের উপর ভর করেই রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে সেই তামিমকে দেখা যাচ্ছে না। এই সিরিজে তাকেই যে বেশি প্রয়োজন।

ইংলিশদের বিপক্ষে হোম সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে তার রান যথাক্রমে ১৭ এবং ১৪। গেল ম্যাচে বিপদজনক সময়ে অযথা পুল শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন। অবশ্য তাকে পথ দেখিয়েছেন প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইমরুল কায়েস। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচের আগে তামিমের কি মনে পড়বে লর্ডসের সেই সেঞ্চুরির কথা? সেদিন ইংল্যান্ডের মাটিতে ১৫৭ বলে ১৫ চার এবং ২ ছক্কায় ১০৩ রানের রাজসিক ইনিংস খেলেছিলেন এই ড্যাশিং ওপেনার। ২০১০ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত সেই টেস্ট শতকের কারণে তামিমের নাম উঠে যায় ‘ক্রিকেটের মক্কা’ খ্যাত লর্ডসের অনার বোর্ডে।

দেশের মাটিতেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উজ্জল ইতিহাস আছে তামিমের। এজন্য ফিরে তাকাতে হবে ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির দিকে। সেদিন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১৮৭ বলে ১২৫ রানের একটি ঝলমলে ইনিংস খেলেন তামিম। ১০৪.১৬ স্ট্রাইক রেটে ১৩টি চার এবং ৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন সেদিন। ম্যাচটি ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জিতে নিলেও ম্যাচসেরার পুরস্কার এসেছিল তামিমের হাতেই।

ইংলিশদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে তামিমের অর্জন ১১ ম্যাচে ২৬.৯০ গড়ে ২৯৬ রান। সেঞ্চুরি ১টি। তবে কোনো হাফসেঞ্চুরি নেই! পরিসংখ্যানটা ঠিক ‘তামিমীয়’ ঠেকবে না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু টেস্টেই আবার এই পরিসংখ্যান বিপরীত। ৪ ম্যাচের ৮ ইনিংসে ৬৩.১২ গড়ে তামিমের রান ৫০৫! স্ট্রাইক রেট ১০৮, দুই সেঞ্চুরি, চারটি হাফসেঞ্চুরি তামিমের নামের পাশে পুরোপুরি মানানসই। তার মানে, টেস্টে তামিমের পছন্দের তালিকায় ইংল্যান্ড অন্যতম।

টেস্ট সিরিজ তো আছেই; কিন্তু তার আগে তো ওয়ানডে সিরিজটা জিতে দেশের মাটিতে টানা সপ্তম সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। সেইসঙ্গে তামিম নিজেও দাঁড়িয়ে একটি দারুণ মাইলফলকের সামনে। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০০০ রানের মাইলফলক থেকে তিনি মাত্র ৩৮ রান পিছিয়ে। না, এটা কোনো চাপ নয়। কারণ তামিম রান করলে হাসবে পুরো বাংলাদেশ।


মন্তব্য