kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাহমুদ উল্লাহ-মাশরাফির ব্যাটে বাংলাদেশের ২৩৮

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:১২



মাহমুদ উল্লাহ-মাশরাফির ব্যাটে বাংলাদেশের ২৩৮

প্রবল চাপের মাঝে দাঁড়িয়ে মাহমুদ উল্লাহ খেলেছেন ৭৫ রানের ইনিংস। এরপর অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা শেষে খেলে দিয়েছেন ২৯ বলে ৪৪ রানের ইনিংস।

তাতেই শেষ পর্যন্ত লড়ার মতো মাঝারি একটা সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ দল। মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৩৮ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। বোলাররা জেতাতে না পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারবে টাইগাররা। প্রথম ম্যাচটা হেরেছে অবিশ্বাস্যভাবে।

এদিন টসে হেরে বাংলাদেশ বারবার পড়েছে আদৌ ৫০ ওভার শেষ করতে পারবে কি না এই সংশয়ে। মাহমুদ উল্লাহর এক প্রান্ত ধরে রাখার লড়াই শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬১ রান। এর ৮ রান পর ফিরেছেন মাহমুদ উল্লাহর সাথেই ৪৮ রানের জুটি গড়া মোসাদ্দেক হোসেন (২৯)। ওটা ৪২তম ওভারের ঘটনা। গত কয়েকটি ম্যাচে শেষে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। তাই শঙ্কা।

নাসির হোসেন এই ম্যাচে ফিরেছেন একাদশে। তাতে এক প্রান্তে রেখে এরপর মাশরাফির আক্রমণ শুরু। দুজনেই ক্রিজে নতুন। এবং তারাই অষ্টম উইকেট জুটিতে ইনিংসের সেরা ৬৯ রানের জুটি গড়েছেন। ৮.১ ওভার ব্যাট করেছেন তারা। ওভার প্রতি রান এসেছে ৮.৪৪। এসেই মঈন আলীর ওভারের শুরু ও শেষের বলে ছক্কা মারলেন মাশরাফি। এরপর ডেভিড উইলির শর্ট বলে প্রায় চোখ বুজেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ওই ওভারে আছে আরেকটি চার। এই তিন ছক্কার সাথে নিজস্ব ধরণে দুটি বাউন্ডারিও মেরেছেন। ইনিংস শেষ হওয়ার আগের বলে রান আউট হয়েছেন মাশরাফি। ফেরার ম্যাচে ২৭ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থেকেছে নাসির।

নাসির হোসেন এই ম্যাচে ফিরেছেন একাদশে। তাতে এক প্রান্তে রেখে এরপর মাশরাফির আক্রমণ শুরু। দুজনেই ক্রিজে নতুন। এবং তারাই অষ্টম উইকেট জুটিতে ইনিংসের সেরা ৬৯ রানের জুটি গড়েছেন। ৮.১ ওভার ব্যাট করেছেন তারা। ওভার প্রতি রান এসেছে ৮.৪৪। এসেই মঈন আলীর ওভারের শুরু ও শেষের বলে ছক্কা মারলেন মাশরাফি। এরপর ডেভিড উইলির শর্ট বলে প্রায় চোখ বুজেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ওই ওভারে আছে আরেকটি চার। এই তিন ছক্কার সাথে নিজস্ব ধরণে চারটি বাউন্ডারিও মেরেছেন। ইনিংস শেষ হওয়ার আগের বলে রান আউট হয়েছেন মাশরাফি। ফেরার ম্যাচে ২৭ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থেকেছে নাসির।     

বাঁচা-মরার এই ম্যাচে টস হারা বাংলাদেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছেন দুই পেসার। ক্রিস ওকস ও গত ম্যাচে অভিষেকেই ৫ উইকেট নেওয়া জেক বল। ইনফর্ম দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (১৪) ও ইমরুল কায়েস (১১) ওকসের শিকার হয়ে ফিরেছেন দলের ২৬ রানের মধ্যে। পরের দুই আঘাত বলের। প্রথমে সাব্বির রহমান (৩)। এরপর মুশফিকুর রহীম (২১) ও মাহমুদ উল্লাহ ৫০ রানের জুটি গড়েছেন। মুশফিক বেলের মিকার হয়ে ফেরার পর সাকিব আল হাসান (৩) স্টোকসের শিকার। ১১৩ রানে নেই ৫ উইকেট।

গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন মাহমুদ উল্লাহ। বাংলাদেশ জিতেছিল। সেই ফর্ম ফিরে পেলেন এই ব্যাটসম্যান। দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৫১ বলে ফিফটি করলেন। মোসাদ্দেক হোসেনের সাথে (২৯) ৪৮ রানে জুটিও হলো। কিন্তু ৮ রানের মধ্যে এই দুই সেট ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিলেন লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। ইনিংস শেষ করে আসতে না পারার হতাশা দেখালেন মাহমুদ উল্লাহ। তার ৮৮ বলের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি। এর পরের গল্পটা মাশরাফির। ৭ উইকেটে ১৬৯ থেকে দলকে লড়ার মতো কিছু তো দিলেন। কঠিন পরিস্থিতিতে ফেরার চাপ সামলে নাসির ব্যাট হাতে সফল। বোলারদের কঠিন পরীক্ষা এবার।


মন্তব্য