kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইমরুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে জয়ের পথেই আছে বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৩৩



ইমরুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে জয়ের পথেই আছে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুই সেঞ্চুরি করে কি ইমরুল কায়েস উপেক্ষার জবাব দিলেন? প্রস্তুতি ম্যাচে ৯১ বলে ১২১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছিলেন। এবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওপেন করার সুযোগ পেয়েই সেঞ্চুরি করেছেন ইমরুল।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ওয়ান ডাউনে ৩৭ রান করেও পরের দুই ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি। কষ্ট ছিল ইমরুলের। কারণ ওয়ানডেতে তার আগের দুটি ইনিংসেই ৭০ ঊর্ধ ইনিংস খেলেছিলেন। বাঁ হাতি ওপেনারের পক্ষ থেকে এটা তো বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টকে উপেক্ষার জবাবই!

ইমরুল এক প্রান্ত ধরে রেখে লড়ে যাচ্ছেন। ৫৫ বলে ফিফটি করেছেন। ১০৫ বলে সেঞ্চুরি। তাতে ১১টি চার ও ২টি ছক্কা। ইমরুলের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা এল ৬০তম ম্যাচে। কিন্তু বাংলাদেশের সামনে টার্গেট বড়। ৩১০ রানের। ৮ উইকেটে ৩০৯ রান করেছে ইংল্যান্ড। ফিল্ডাররা গোটা তিনেক নিশ্চিত ও গোটা দুয়েক হাফ চান্সের ক্যাচ না ছাড়লে রানটা আরো কম হত পারত। মাঝের তিনটি উইকেটের পতনে চাপ নিয়েই খেলছে বাংলাদেশ। তবে কক্ষ্যপথেই আছে। এই রিপোর্ট লেখার সময় ৩৭ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৪ রান বাংলাদেশের। ইমরুল ১০৫ ও সাকিব আল হাসান ৩৯ রানে ব্যাট করছেন। এই ম্যাচ জিতলে দেশের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার নতুন রেকর্ড হবে টাইগারদের।

শুরু থেকে আক্রমণ করে খেলেছেন ইমরুল। তামিম ইকবালের ছিল জড়তা। ইমরুল ইনিংসের তৃতীয় বলেই ছক্কা মেরেছেন। কিন্তু ৪৬ রানের জুটির পর তামিম ক্যাচ দিয়ে ফেরেছেন। সাব্বির ১১ বলে ১৮ রান করে ডেভিড উইলির দারুণ ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন। কিন্তু ২১ রানের মধ্যে মাহমুদ উল্লাহ (৩৫) ও মুশফিকুর রহিমের (১২) ফিরে আসাটা মনযোগ হারানোর ফল। অথচ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর ম্যাচে দারুণ সেঞ্চুরি করেছিলেন মাহমুদ উল্লাহ।

১৫৩ রানে ৪ উইকেট। ২৬.১ ওভার। তখনো ম্যাচে খুব ভালো ভাবে আছে বাংলাদেশ। সাকিব আর ইমরুল বয়ে নিয়ে যেতে থাকেন বাংলাদেশের আসা। ফিফটি জুটিও হয়ে যায়। ওভার প্রতি ৬ এর বেশি রান করছেন। নাগালের বাইরে যেতে দিচ্ছেন না লক্ষ্যকে।
 
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে এদিন ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। জেমস ভিন্স (১৬), জ্যাসন রয় (৪১) ও জনি বেয়ারস্টো (০) ফিরেছেন। শফিউল, সাকিবের চমৎকার বোলিং ও সাব্বিরের দারুণ থ্রোর ফল। এরপর ২৬.৩ ওভারে ১৫৩ রানের জুটি গড়েন স্টোকস ও অভিষিক্ত ২১ বছরের বেন ডাকেট। কিন্তু তাসকিনের বলে ৬৯ রানের সময় মাহমুদ উল্লাহ ক্যাচ ছাড়লে বেঁচে যান স্টোকস। পরের ওভারে ব্যক্তিগত ৭১ রানে স্টোকস আরেকটি জীবন পান অধিনায়ক মাশরাফির বলে মোশাররফ ক্যাচ ছাড়লে। শেষ পর্যন্ত ১০১ রান করে মাশরাফির শিকার হন স্টোকস।

বেন ডাকেট তার আগে ৬০ রান করে ফিরেছেন। তবে অধিনায়ক জস বাটলার তাণ্ডব চালালেন। ৩৮ বলে করেছেন ৬৩। যদিও ৩৯ রানে জীবন পেয়েছেন। ক্রিস ওকসের সাথে ওভার প্রতি ১১'র বেশি গড়ে ৬৩ রানের জুটি গড়ে গেছেন বাটলার। স্পিনারদের এমন চমৎকার খেলেছেন ইংলিশ বোলাররা যে মোশাররফ ও মাহমুদ উল্লাহ ৩ ওভারের বেশি বল করতে পারেননি। মাশরাফি, সাকিব ও শফিউল দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।  


মন্তব্য