kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শফিউলের পর মাশরাফির আঘাত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৩৪



শফিউলের পর মাশরাফির আঘাত

সব বোলারকেই ব্যবহার করলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কিন্তু বেন ডাকেট আর বেন স্টোকসের জুটি আর ভাঙা যায় না।

৩৯তম ওভারে মিডিয়াম পেসার শফিউলকে আক্রমণে ফেরালেন মাশরাফি। ওভারের শেষ বলেই সাফল্য। ডাকেটকে (৬০) তুলে নিয়ে টাইগার শিবিরে কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেন শফিউল। ইংল্যান্ডের প্রথম উইকেটটিও তিনি নিয়েছিলেন। ডাকেট ও বেন স্টোকসের ২৬.৩ ওভারে ১৫৩ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি ভেঙেছে। সেঞ্চুরি হাঁকানো স্টোকসকে ফিরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

এই রিপোর্ট লেখার সময় ৪২ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩৩ রান ইংল্যান্ডের। অধিনায়ক জস বাটলার ১১ ও মঈন খান ২ রানে ব্যাট করছেন। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন স্টোকস (১০১)। স্টোকসের এই সেঞ্চুরি কিছুতেই হয় না তার ৬৯ ও ৭১ রানে যথাক্রমে মাহমুদ উল্লাহ ও মোশাররফ হোসেন সহজ দুটি ক্যাচ না ছাড়লে। সেঞ্চুরি করার পরের ওভারেই মাশরাফির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্টোকস।  

অ্যালেক্স হেলস, জো রুট ও এউইন মরগ্যান- এই তিন ব্যাটিং স্তম্ভকে ছাড়াই এসেছে ইংল্যান্ড। তাই বাংলাদেশের বোলারদের সামনে দারুণ সুযোগ আসে  ৩ উইকেট তুলে নেওয়ার পর। কিন্তু তাদের হতাশ করে দারুণ খেলে স্টোকস ও ডাকেট শত রানের জুটি গড়ে তোলেন। এরপর বাংলাদেশের হতাশা বাড়ে ৩১ ও ৩২ ওভারে দুটি ক্যাচ পড়লে। প্রথমে তাসকিন আহমেদের বলে স্টোকসকে জীবন দেন অভিজ্ঞ মাহমুদ উল্লাহ। ঠিক পরের ওভারে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা হতাশ হন ৩৪ বছরের মোশাররফ ক্যাচ ফেললে।

এর আগে প্রথম আঘাতটা নতুন বলের বোলার শফিউল হেনেছিলেন। তার বলে ভিন্সের ক্যাচ নেন অধিনায়ক মাশরাফি। ৪১ রানে পড়ে ইংল্যান্ডের প্রথম উইকেট।

পঞ্চম ওভারেই স্পিনার আনেন মাশরাফি। বাঁ হাতি সাকিবের পর আসেন মোসাদ্দেক হোসেন। এবং ৬১ থেকে ৬৩ রানে যেতেই দুই উইকেট নেই ইংল্যান্ডের। আগের ওভারে মোসাদ্দেককে ছক্কা মেরেছিলেন রয়। পরের ওভারে সাকিবকেও উড়িয়ে মেরে লং অফে ধরা পড়েন সাব্বিরের হাতে। বড় উইকেট। ঠিক পরের ওভারেই মোসাদ্দেককে মিড অফে ঠেলে একটি রান নিতে গিয়ে শূণ্য হাতেই ফিরে যান বেয়ারস্টো। এরপর ইংল্যান্ডের প্রতিরোধের গল্প।


মন্তব্য