kalerkantho


বার্সার পরাজয় ও রিয়ালের ড্রয়ের সুবাদে লা লিগার শীর্ষে এ্যাথলেটিকো

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৫৩



বার্সার পরাজয় ও রিয়ালের ড্রয়ের সুবাদে লা লিগার শীর্ষে এ্যাথলেটিকো

সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে বার্সেলোনার ৪-৩ গোলের হার ও এইবারের সাথে রিয়ালের ১-১ গোলের ড্রয়ের সুবাদে লা লিগায় শীর্ষে উঠে এসেছে আরেক জায়ান্ট এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।
ইনজুরি আক্রান্ত লিয়নেল মেসির অনুপস্থিতিতে বার্সেলোনার উপর যেন চেপে বসে সেল্টা।

পিওনে সিসটো, ইয়াগো আসপাসের গোলের পরে ও জেরেমি ম্যাথুর আত্মঘাতি গোলে প্রথমার্ধের ৩৩ মিনিটের মধ্যে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সেল্টা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য জেরার্ড পিকে ও নেইমারের পেনাল্টির গোলে বার্সেলোনা দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে। তবে ৭৭ মিনিটে পাবলো হার্নান্দেজের গোলে আবারো সেল্টা এগিয়ে গেলে বার্সেলোনার আর কিছুই করার ছিল না। ম্যাচের শেষের দিকে অবশ্য পিকের দ্বিতীয় গোল শুধুমাত্র ব্যবধানই কমিয়েছে।
এদিকে সানতিয়াগো বার্নাব্যুতে পুচকে এইবারের সাথে ড্র করে রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার থেকে দুই পয়েন্ট এগিয়ে থাকলেও গোল ব্যবধানে এ্যাথলেটিকোকে টপকাতে পারেনি। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের মাধ্যমে এ্যাথলেটিকো নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের টপকে লীগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে। যদিও ম্যাচে এ্যাথলেটিকোর পক্ষে পেনাল্টির সুযোগ নষ্ট করেন এন্টোনিও গ্রিয়োজমান ও কেভিন গামেইরো।
গত মৌসুমে বার্সেলোনার দায়িত্ব নেবার পরে এই সেল্টার কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল বার্সেলোনা। সেই দলের কাছেই আবারো পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ নিতে হলো কাতালানদের। ম্যাচ শেষে এনরিকে বলেছেন, আমি মোটেই সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারন আন্তর্জাতিক বিরতির পরে শীর্ষে ওঠার সুযোগটা আমরা নিতে পারলাম না। প্রথমার্ধে আমরা একেবারেই খেই হারিয়ে ফেলেছিলাম।
লিভারপুলের সাবেক স্ট্রাইকার আসপাসই ম্যাচের চেহার পাল্টে দেন। তার বাড়ানো বল থেকে সিসটো দারুনভাবে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন। এরপর আসপাস ব্যবধান দ্বিগুন করেন। তবে ড্যানিয়েল ওয়াসের ক্রস থেকে ম্যাথুর আত্মঘাতি গোল সেল্টাকে ম্যাচ জয়ে উৎসাহিত করে তুলে। দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাকে নামিয়ে খুব একটা ভুল করেননি এনরিকে। এটি ছিল বার্সেলোনার পক্ষে ইনিয়েস্তার ৬০০তম ম্যাচ। ইনিয়েস্তার ক্রস থেকেই পিকে সফরকারীদের পক্ষে গোলে সূচনা করেন। এরপর আন্দ্রে গোমেজকে ফাউলের সুবাদে প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে নেইমার ব্যবধান কমান। তবে বার্সেলোনার সব আশা ভঙ্গ করে দেন গোলরক্ষক আন্দ্রে টার স্টেগান। তার ভুলের সুযোগে হার্নান্দেজ স্বাগতিক পক্ষে চতুর্থ গোল করলে বার্সেলোনার ম্যাচে ফিরে আসার সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়। ম্যাচ শেষের তিন মিনিট আগে পিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। স্টপেজ টাইমে অবশ্য একটুর জন্য তার হেড গোলের ঠিকানা খুঁজে পায়নি।
দিনের আগের ম্যাচে রিয়ালের বিপক্ষে প্রথম কোন গোলের সুযোগ মোটেই নষ্ট করতে চায়নি এইবার। ৬ মিনিটে ফ্রান রিকোর গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। কিন্তু ১৭ মিনিটে গ্যারেথ বেলের ৫০তম গোলে টানা চার ম্যাচে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় রিয়ালকে। ২০০৬ সালে রিয়ালের খেলোয়াড় থাকা অবস্থায় এই একই অভিজ্ঞতা নিতে হয়েছিল রিয়ালকে। হাঁটুর ইনজুরির কারণে অনুপস্থিত থাকা লুকা মোদ্রিচের অভাব বেশ ভালভাবেই টের পেয়েছে রিয়াল।
দিনের প্রথম ম্যাচে গ্রিয়েজমান ও গামেইরোর গোলে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।

 


মন্তব্য