kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পিএসজির জয়; মেজের জালে মোনাকোর ৭ গোল!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০৯:৪৬



পিএসজির জয়; মেজের জালে মোনাকোর ৭ গোল!

অ্যাডিনসন কাভানির জোড়া গোলে শনিবার বর্দুকে ২-০ গোলে হারিয়েছে প্যারিস সেন্ত জার্মেই (পিএসজি)। আর মেজকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফের লিগ ওয়ানের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ফিরেছে মোনাকো।

প্রাক দেস প্রিন্সেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে পিএসজির হয়ে দুই গোল করেন কাভানি। সপ্তাহের মধ্যভাগে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুলগেরিয়ায় গিয়েও লুডগোরেটসের বিপক্ষে পিএসজিকে জয়ী করে এনেছিলেন এই উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড। এর পর ঘরোয়া লিগেও চ্যাম্পিয়নদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনলেন তিনি।

ঘরোয়া লিগে টুয়ালোয়াসের কাছে হেরে পিএসজি যখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে যায় তখন পয়েন্ট তালিকায় তাদের অবস্থান ছিল চতুর্থ। নবনিযুক্ত কোচ উনাই ইমেরির অধীনে ঘরোয়া লিগের ৭ ম্যাচের মধ্যে সেটি ছিল পিএসজির দ্বিতীয় পরাজয়।

খেলা শেষে কোচ বলেন, "আজকে জয় পাওয়ার কারণ হচ্ছে আমাদের দলটি এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সেরা খেলাটি খেলেছে। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে আমরা তৃতীয় গোলটিও আদায় করতে পারতাম। যেটি আমাদের অনুপ্রেরণাকে আরো সহজতর করে দিত। তবে এখানকার পরিবেশটি ভালো ছিল। যেটি একটি দলের জন্য খুবই ইতিবাচক। যে কারণে এখানে ছেলেরা স্পেশাল একটি খেলা উপহার দিয়েছে। ''

ম্যাচে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন কাভানি। ইব্রাহিমোভিচ পিএসজি ছাড়ার পর ক্লাবটির আক্রমণভাগের নেতৃত্ব তার ওপর বর্তায়। কিন্তু প্রত্যাশিত সফলতা এনে দিতে না পারায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিশেষ করে গত মাসে আর্সেনালের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে এগিয়ে যাবার পরও ড্র করার ঘটনায় তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন।

শনিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই ব্রেক থ্রু পেয়ে যান কাভানি। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বর্দু শিবিরে ঢুকে পড়া আনহেল দি মারিয়ার ক্রসের বলটিকে দর্শনীয় হেডের সাহায্যে গোলে পরিণত করেন তিনি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ফের গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উরুগুয়ের এই আন্তর্জাতিক তারকা। লেভিন কুরাযাওয়ার নিচু শটের বলটি ব্যাকহিলের মাধ্যমে জালে জড়িয়ে দেন কাভানি। এটি ছির লিগ ওয়ানে চলতি মৌসুমে তার অষ্টম গোল।

এদিন মেজকে নিয়ে গোল উৎসবে মেতে ওঠে মোনাকো। ১০ জনের মেজের বিপক্ষে থমাস লেমার, ভালেরে জারমাইন ও বার্নার্ডো সিলভা প্রথমার্ধে গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয় মোনাকোর হাতে। ম্যাচ শুরু হবার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে চেস্ক দওকওরেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে মেজের সংকট আরো ঘনীভূত হয়। আর এর শতভাগ ফায়দা তুলে নেয় মোনাকো। একে একে ৭টি গোল আদায় করে নেয় তারা।

এই জয়ের ফলে নিসের সঙ্গে দুই পয়েন্টের ব্যবধান রচনা করে ফের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠে যায় মোনাকো। যদিও লরিয়েন্টের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে জয় পেলে ফের তালিকার শীর্ষে ওঠে যাবে নিস।  


মন্তব্য