kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আট বছর পর মোশাররফ, দুই বছর পর শফিউল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৪:৪৩



আট বছর পর মোশাররফ, দুই বছর পর শফিউল

দীর্ঘ আট বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়েছেন মোশাররফ হোসেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একাদশে রাখা হয়েছে তাকে।

বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের জায়গা নিয়েছেন এই বাঁ হাতি স্পিনার। রুবেল হোসেনের জায়গা নেওয়া পেসার শফিউল ইসলামও একাদশে এসেছেন দুই বছর পর। মিরপুরে সিরিজের শেষ ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে ব্যাট করছে টাইগাররা।

মোশাররফ ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোম সিরিজের তিনটি ওয়ানডেই খেলেছিলেন। নিয়েছিলেন মাত্র ১ উইকেট। এরপর আর জাতীয় দলে খেলা হয়নি তার। ডান হাতি মিডিয়াম পেসার শফিউল শেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে। এরপর ফর্মহীনতায় আর খেলা হয়নি। এবার আল-আমিন হোসেনের জায়গায় তার দলে আসাটাও বেশ বিতর্ক ছড়িয়েছে। ২০১০ সালে অভিষেকের পর ৫২টি ম্যাচ খেলেছেন ২৬ বছরের শফিউল। ৩৬.৩৬ গড়ে তার শিকার ৫৮টি উইকেট।

৩৪ বছরের মোশাররফের ক্যারিয়ারটা উত্থান-পতনে ভরা। ২০০৮ সালের মার্চে ক্যারিয়ারের তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন। এরপর বিতর্কিত বিদ্রোহী ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগ বা আইসিএলে যোগ দেন। সেখান থেকে ফিরে ২০১০ সাল থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটের শীর্ষ উইকেট শিকারীর তালিকায় নিয়মিত থাকেন মোশাররফ। তিন বছর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে দলে ডাকা হয়েছিল তাকে। কিন্তু ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।

২০১৩ সালে বিপিএল ম্যাচ পাতানো কেলেঙ্কারিতে প্রাথমিক ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল মোশাররফকে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না মেলায় সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। এই মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে ব্যাটে বলে পারফর্ম করেছেন মোশাররফ। তবে জুনে বাজে আচরণের জন্য এক ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। আগস্টে আন্তর্জাতিক মৌসুমের শুরুতে প্রায় হঠাৎ করেই তাকে ৩০ সদস্যের প্রাথমিক দলে রাখা হয়। এরপর প্রথম দুই ওয়ানডের দলে না থাকলেও তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের দলে ঢুকে পড়েন।

তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একাদশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদ উল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মোশাররফ হোসেন, শফিউল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।


মন্তব্য