kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টাইগারদের মান রক্ষার, আফগানদের ইতিহাস গড়ার লড়াই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:২৫



টাইগারদের মান রক্ষার, আফগানদের ইতিহাস গড়ার লড়াই

বাংলাদেশ দল বড় অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানদের কাছে হার এখন র‌্যাংকিং-এ পতন ঘটানোর হুমকি দিচ্ছে।

শনিবার সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটা হারলে আসলে সব গেল। আফগানরা তাদের ইতিহাসের সেরা সিরিজটাই জিতবে তবে। গড়বে ইতিহাস। বাংলাদেশ ওয়ানডের বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ৭ থেকে নেমে যাবে ৮ নম্বরে। সেই সাথে মানও কি কম যাবে টাইগারদের? মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ খেলাটি শুরু দুপুর আড়াইটায়।

এখন আর শততম ওয়ানডে জয় কিংবা টানা পঞ্চম সিরিজ জয়ের কথাগুলো রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে না। মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের জন্য শুধু ঘুরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দরকারী বিষয়। হাপ ছেড়ে তাতে বাঁচবে সবাই। ক্রিকেটাররা, ক্রিকেট বোর্ড, সমর্থকরা, গোটা দেশ। আফগানদের কাছে যে সিরিজ হারতে চায় না কেউই!

সৌম্য সরকারের অফ ফর্ম ইনফর্ম ইমরুল কায়েসকে দলে ফিরিয়ে আনতে পারে। মোসাদ্দেক হোসেনকে সুযোগ দিতে ইমরুলকে জায়গা ছাড়তে হয়েছিল। সাব্বির রহমানের দুই ম্যাচের ব্যর্থতা ঘোঁচানোর ম্যাচও এটি। আবার বাংলাদেশ ফিরতে পারে তিন বাঁ হাতি স্পিনারের ফর্মুলায়। মাশরাফি, তাসকিনের পেস আক্রমণের সাথে সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মোশাররফ হোসেন। মোশাররফ ৮ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন তাহলে। বাংলাদেশের পারফর্ম না করে উপায় নেই।

আফগানিস্তানের তো অদল বদলের কিছু নেই। কেবল বিপজ্জনক মোহাম্মদ শাহজাদের বড় স্কোর পাওয়া হয়নি এখনো। অফ স্পিনার মোহাম্মদ নবি, দুই লেগ স্পিনার রশিদ খান ও রহমত শাহ তো বেশ ভোগাচ্ছেন স্বাগতিকদের। আবার তারা জ্বলে উঠলে টাইগারদের ওয়ানডে জয়ের সেঞ্চুরি কিংবা টানা পঞ্চম সিরিজ জয়ের রেকর্ডের কিছুই আর হবে না।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ : তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস/সৌম্য সরকার, মাহমুদ উল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোশাররফ হোসেন (অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ।

আফগানিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ : মোহাম্মদ শাহজাদ, নওরোজ মঙ্গল, রহমত শাহ, হাশমতুল্লা শাহিদি, আসগর স্তানিকজাই (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবি, নাজিবুল্লা জাদরান, রাশিদ খান, মিরওয়াইস আশরাফ, দৌলত জাদরান, নাভিন-উল-হক।


মন্তব্য