kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টেন্ডুলকারের শুধু কেনাকাটা; লক্ষণ অলওয়েজ লেট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৩৭



টেন্ডুলকারের শুধু কেনাকাটা; লক্ষণ অলওয়েজ লেট

ফাইল ছবি

ঘরের মাটিতে ভারতের ২৫০তম টেস্ট শুরু হয়েছে ক্রিকেটের নন্দন কানন ইডেন গার্ডেন্সে। প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে এগিয়ে আছে কোহলি বাহিনী।

আজ ২৫০তম টেস্ট উদযাপনে সিএবি প্রেসিডেন্ট ‘মহারাজা’ সৌরভ গাঙ্গুলী আয়োজনের কোন ত্রুটি করেননি।

ইতিহাসে প্রথমবারের মত ঘন্টা বাজিয়ে ম্যাচ শুরু ছাড়াও সৌরভের আমন্ত্রণে ইডেনে উপস্থিত হয়েছিলেন তার সময়ের অনেক গ্রেট ক্রিকেটার। ম্যাচ শুরুর পূর্বে এক অনুষ্ঠানে সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী তার সময়ের সতীর্থদের মজার কিছু স্বভাবের স্মৃতিচারণ করেন। যা উপস্থিতির মধ্যে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি করে।

যেমন শচীন টেন্ডুলকার সম্পর্কে তিনি বলেন, শচীনের ব্যটিং আর শপিংয়ের বাইরে কোনকিছুতে তেমন আগ্রহ ছিল না। তিনি মাঠে একটা সেঞ্চুরি করে সোজা চলে যেতেন শপিং মলে। রাজ্যের কেনাকাটা করে তবেই ফিরতেন। পোশাক-আশাকের ব্যপারে শচীনের বেশ দুর্বলতার কথাও ফাঁস করেন সৌরভ।

গাঙ্গুলী এরপর সাবেক সতীর্থ ভিভিএস লক্ষণের ইজ্জতের বারোটা বাজিয়ে দেন প্রায়! তার ভাষ্যমতে, সাবেক এই হায়দ্রাবাদী ব্যাটসম্যান নাকি ‘অলওয়েজ লেট’! ক্রিজে যখন ৪ কিংবা ৫ নম্বর ব্যটসম্যান থাকতেন তখন লক্ষণ যেতেন বাথরুমে। এরপরও ম্যাচ শেষে টিম বাসে উঠা শেষ মানুষটির নাম ছিল লক্ষণ!

বীরেন্দর শেবাগ সম্পর্কে অবশ্য মজার কিছু বলেননি মহারাজা। বলেছেন, “শেবাগ ক্রিকেট বিশ্বে ব্যাটিং মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়েছিলেন। যদি এখনকার অবস্থা দেখেন তবে দেখা যায়, কোনো ব্যটসম্যান কয়েকটি ম্যাচে রান করতে না পারলেই শুরু হয়ে যায় সমালোচনা। এসবই শুরু হয়েছিল শেবাগ কিংবা অস্ট্রেলিয়ার হেইডেনকে দিয়ে। ”

এসময় সৌরভ ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক কলকাতা টেস্ট জয়ের স্মৃতি স্মরণ করেন। কুম্বুলে একাই অসিদের বিপক্ষে লড়েছিলেন। কঠিন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হরভজন। নিজের নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক বলেন, “রাহুল, শচীন, হরভজনদের ক্যপ্টেন হতে পেরে আমি গর্বিত। ওটা একটি সোনালী প্রজন্ম ছিল আর ওরা ছিল অসাধারণ সব প্রতিভা। ওদের জন্যই ভারতের ক্রিকেট আজ এই অবস্থানে। ”

সৌরভের অবদানকেও স্বীকার করেন কেউ কেউ। শেভাগ বলেন, “দাদা একমাত্র মানুষ যিনি খুব সহজেই আমাদের সাহসী করে তুলতেন। তার ক্যাপ্টেন্সি ছিল আক্রমণাত্বক। হারের মুখেও নতি স্বীকার করতে চাইতেন না তিনি। আমাদের সবাইকে চাঙ্গা রাখতেন দাদা। তাই তিনিই নাম্বার ওয়ান। ”


মন্তব্য