kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সাকিবের রসিকতা...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:৩৪



সাকিবের রসিকতা...

ফাইল ছবি

এক বছর পর ওয়ানডে খেলতে নেমে নবীন আফগানিস্তানকে হারাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে টাইগারদের। বলা হচ্ছে, অভিজ্ঞতাই জিতিয়েছে বাংলাদেশকে।

এই জয়ে ব্যাটে-বলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যটির হাতে দীর্ঘ দুই বছর পর ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠল!

গতকাল বহুদিন পর ব্যাটে-বলে দেখা গেল সেই বিধ্বংসী সাকিবকে। বেশ ফুরফুরে মেজাজে সংবাদ সম্মেলনে এসে ক্রিকেটার সাকিব থেকে যেন হয়ে উঠলেন রসিক সাকিব। বলে বসলেন, “মোস্তাফিজ নেই একটা সুযোগ এসেছে। ম্যাচসেরা হলাম। ” এই রসিকতায় হাসির রোল উঠে সংবাদকর্মীদের মধ্যে। মুহূর্তেই নিজের রসিক স্বভাবটা আড়াল করে বললেন, “ম্যান অব দা ম্যাচ তো কেউ বলে-কয়ে হয় না। ভালো লাগে যেকোনো অর্জন বা স্বীকৃতি পেলে। আমার মূল কাজ হচ্ছে দলের জয়ে অবদান রাখা। নিয়মিত অবদান রাখলে ফল এমনিতেই আসবে। সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে সেরা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ”

উল্লেখ্য, গত দুই বছরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তামিম ইকবালের হাতে। মোট পাঁচবার ম্যাচসেরা হয়েছেন এই ড্যাশিং অলরাউন্ডার। চারবার ম্যাচসেরা হয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন হালে ফর্মহীনতায় ভূগতে থাকা মারকুটে ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। কিন্তু সাকিব সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি ও ৪ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। পরবর্তী সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ খেলেছে ৪৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। মাশরাফির হাত ধরে এসেছে ‘শক্তিশালী দল’ এর স্বীকৃতি। বাংলাদেশ দলে এখন এত এত প্রতিভাবান, সাহসী ক্রিকেটারদের সমাবেশ ঘটেছে যে দলে জায়গা রাখতে হলে নিজেকে প্রমাণ করার বিকল্প নেই। এটাও সত্য যে সাকিবের আর প্রমাণ করার কিছু বাকি নেই। দলের প্রয়োজনে সময়োপযোগী ইনিংস খেলার ভূমিকাতেই সাকিবকে দেখতে চায় সবাই।


মন্তব্য