kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাশরাফি-সাকিবের আঘাতে চাপে আফগানরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৩৩



মাশরাফি-সাকিবের আঘাতে চাপে আফগানরা

বিপজ্জনক মোহাম্মদ শাহজাদের ফিরে যাওয়ার কথা কোনো রান না করেই। নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরা তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের প্রথম বৈধ বলেই।

কিন্তু ফার্স্ট স্লিপে রেগুলার ক্যাচটি ছাড়লেন ইমরুল কায়েস। ইঙ্গিতটা ভালো ছিল না। কিন্তু পরপর দুই ওভারে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসানের আঘাতে চাপের মুখে পড়ে গেছে আফগানিস্তান।

মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে শেষ বলে অল আউট হয়েছে ২৬৫ রানে। শেষ দশ ওভারে ৬৯ রান তুলতেই পড়েছে টাইগারদের ৭ উইকেট। রানটা কি একটু কম হয় গেল না? আফগানরা এর আগে ২৬৫ বা তার বেশি রান তাড়া করে জিতেছে একবারই। কিন্তু তাদের তো 'জায়ান্ট কিলার' হিসেবে একটু আধটু নামও আছে!

এই রিপোর্ট লেখার সময় --ওভারের খেলা শেষ হয়েছে। ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৮ ওভারে ২ উইকেটে ৪৮ রান। শাহজাদ বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফিকে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু পরের বলেই শোধ নিয়েছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। ২১ বলে ৩১ রান করে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শাহজাদ। এর পরের ওভারটি সাকিবের প্রথম। তৃতীয় বলেই তার আঘাত। অন্য ওপেনার শাবির নুরিকে (৯) এলবিডাব্লিউর ফাঁদ ফেললেন। সেই সাথে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওয়ানডে উইকেট শিকারের রেকর্ডে আব্দুর রাজ্জাকের (২০৭ উইকেট) পাশে বসলেন। তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বিশ্বের একমাত্র বোলার সাকিব।  

এর আগে তামিম ইকবালের ৮০, মাহমুদ উল্লাহর ৬২, সাকিব আল হাসানের ৪৮ ও ইমরুল কায়েসের ৩৭ বাংলাদেশকে মাঝারি সংগ্রহটা গড়ে দিয়েছে। বাকিদের মধ্যে ৯ নম্বরে তাইজুল ইসলামের ১১ সর্বোচ্চ। শেষ ৪ উইকেট পড়েছে ১৯ রানে। ৪০ ওভারে দলের রান ছিল ৩ উইকেটে ১৯৬। কিছু রান তো কম হয়েছেই বটে।

সৌম্য সরকার ইনিংসের পঞ্চম বলে শূণ্য রানে আউট হয়েছেন। এরপর ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবাল ৮৩ রানের জুটি গড়েছেন। দশ মাস পর ওয়ানডেতে ফিরে সেই হিসেবে আর ধাক্কা খেতে হয়নি টাইগারদের। এই দুইজন বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ গেত নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪৭ রানের উদ্বোধনী জুট গড়েছিলেন। দুজনই করেছিলেন ৭৩ রান। কায়েসের বিদায়ের পর মাহমুদ উল্লাহ ও তামিমের ৭৯ রানের জুটি।

২০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে ফেরার সময় তামিমের সাথে অবশ্য একটা মাইলফলক ফিরেছে। তিন সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়ে ৯০০০ রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হয়েছেন এই বাঁ হাতি। ৯৮ বলে ৮০ রানে তার বিদায়ের সময় দলের গড় রান সাড়ে চারের ওপর। মাহমুদ উল্লাহ ১৬ রান নিলেন দৌলত জারদানের এক ওভারে। কিন্তু ছন্দ পতন দ্রুত। আফগানদের চমৎকার বোলিং এবং স্বাগতিকদের কিছু ভুলে উইকেট পড়ে টপাটপ। স্লগ ওভারে স্লগ আর করা হয় না। তাই শেষ পর্যন্ত শঙ্কা উড়ে বেড়ায়। ২৬৫ রান যথেষ্ট তো?


মন্তব্য