kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আফগানদের ২৬৬ রানের টার্গেট দিল টাইগাররা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:২০



আফগানদের ২৬৬ রানের টার্গেট দিল টাইগাররা

তামিম ইকবালের ৮০ রান। মাহমুদ উল্লাহর ৬২।

সাকিব আল হাসানের ৪৮। ৩৭ ইমরুল কায়েসের। কিন্তু এরপরও আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের রানটা খুব বড় হয়নি। শেষ ১০ ওভারে উইকেট পড়েছে ৭টি! রান এসেছে ৬৯। ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৬ রান করা টাইগারদের ওখানেই আসল ধাক্কাটা খেতে হয়েছে। ৪ উইকেট পড়েছে শেষ ১৯ রানে। তাতে শেষ বলে অল আউট স্বাগতিকরা! মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টাইগাররা করেছে ২৬৫ রান। এখন বাংলাদেশের দারুণ বোলিং আক্রমণের উপর ম্যাচ জেতানোর দায়িত্ব।  

আফগানিস্তানের বোলিংয়ে বৈচিত্র আছে। ফাস্ট বোলিং, অফ-স্পিন, লেগ-স্পিনে ভালো বোলারও আছে। গুগলি আছে টিনেজার রশিদ খানের। মোহাম্মদ নবি অফ স্পিনে অভিজ্ঞ। শুরুর ওভারেই পেসার দৌলত জাদরানের আঘাত। সৌম্য সরকার ইনিংসের পঞ্চম বলে শূণ্য রানে আউট।

কিন্তু ওই ধাক্কা বুঝতে দেন না ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবাল। নভেম্বরে শেষ ওয়াডেতে ওপেন করে দুজন ১৪৭ রানের জুটি গড়েছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। দুজনই সমান ৭৩ রান করেছিলেন। এবার ৮৩ রানের জুটি গড়ে তামিম-ইমরুল ধাক্কা সামলেছেন। দুজনে সমানতালে ছুটেছেন। তবে ছিলেন সতর্ক। তাদের ব্যাটিংয়ের সময়ই বেশ কয়েকবার ব্যাট হয়ে বল বাতাসে ভাসলো। আফগানদের দূর্ভাগ্য। ফিল্ডাররা বল হাতে জমাতে পারেননি।

নবির বলের লাইনে ঠিক মতো না যেত পেরে ইমরুল বোল্ড ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। তবে একটু পরই ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি হয়েছে তামিমের। ক্যারিয়ারের ৩৩তম ফিফটি। মাহমুদ উল্লাহর সাথেও জুটিটা জমে ওঠে। আসে ৭৯ রান। তামিম সেঞ্চুরির সুবাস পেতে শুরু করেছেন। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে এই ম্যাচেই ৯০০০ রান হয়েছে তিন সংস্করণের ক্রিকেট মিলে। সপ্তম সেঞ্চুরিটা মিললে ছাড়িয়ে যেতে পারতেন বন্ধু সাকিব আল হাসানকে। কিন্তু মনের ভেতর রানের চাকা আরো দ্রুত ঘোরানোর তাড়না অনুভব করে থাকবেন। তামিম তাই ছক্কার মার মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডারের মুঠোবন্দী। ইনিংস সর্বোচ্চ ৮০ রান করলেন ৯৮ বলে। বাউন্ডারি ৯টি।  

মাহমুদ উল্লাহ শেষ ম্যাচটিতে খেলেছিলেন ৫২ রানের ইনিংস। এখানেও তার ব্যাটে ধারাবাহিকতা। নিজের ১৫তম ফিফটি পেয়েছেন। ২৫তম ওভারে ইনিংসের প্রথম ছক্কা মেরেছেন। আর ৩৮তম ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় দৌলতের কাছ থেকে নিয়েছেন ১৬ রান। তৃতীয় ছক্কাটা মারতে গিয়ে নবির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরা মাহমুদ উল্লাহ ৭৪ বলে ২টি ছক্কা ও ৫টি বাউন্ডারিতে দিয়ে গেছেন ৬২ রান।

এই পর্যায়েই ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। মাহমুদ উল্লাহর পর মুশফিকুর রহিম (৬) ও সাব্বির রহমান (২) ফিরেছেন। এই দুই ব্যাটসম্যান রশিদের শিকার। সাকিব ততক্ষণে নিজেকে সেট করে ফেলেছিলেন। তাতে বাংলাদেশের ইনিংসে ফিফটি হতে পারতো ৩টি। কিন্তু দৌলত তুলে নিলেন সাকিবকে। ৪৮ রানে বিদায় তার ৪৮তম ওভারে। ৪০ বলে ৩ বাউন্ডারিকে ৪৮ রান সাকিবের। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজারও (৪) কিছু করা হয়নি। দৌলত ৪টি এবং রশিদ ও মিরওয়াইস নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।


মন্তব্য