kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তামিমের সেঞ্চুরি মিসের পর মাহমুদ উল্লাহর ফিফটি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:১৬



তামিমের সেঞ্চুরি মিসের পর মাহমুদ উল্লাহর ফিফটি

আর ২০টি রান। তাহলে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরিটা হতো।

সেই সাথে তিনি হতেন দেশের পক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির একক মালিকও। বন্ধু সাকিব আল-হাসানেরও ৬ সেঞ্চুরি। কিন্তু ৮০ রানে দাঁড়িয়ে তামিম তুলে মারলেন পেসার মিরওয়াইস আশরাফকে। লং অফে ক্যাচটা মিস করেননি নাভিন-উল-হক। মিরপুর স্টেডিয়াম আফসোস। আক্ষেপ তামিমের নিজেরও। সেঞ্চুরিটা যে প্রাপ্যই ছিল। ৯৮ বলে ৯ বাউন্ডারিতে দারুণ ইনিংস খেলে ফিরেছেন বাঁ হাতি ড্যাশিং ওপেনার।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। তামিম ৩৬তম ওভারের প্রথম বলে বিদায় নিলেন। আর এই রিপোর্ট লেখার সময় ৩৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৮৬ রান। তামিমের বিদায়ের পর মাহমুদ উল্লাহ তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ১৫তম ফিফটি। দৌলত জাদরানের ওভারটিতে তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা মেরেছেন মাহমুদ উল্লাহ। দ্বিতীয় চারে পৌঁছেছেন ফিফটিতে। মাহমুদ উল্লাহ ৫৮ ও সাকিব আল হাসান ৪ রানে ব্যাট করছেন। তামিম ও মাহমুদ উল্লাহর এটি ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি।

এই ম্যাচের পঞ্চম বলেই ধাক্কা খায় টাইগাররা। দৌলত জাদরানের বল ফিল্ডাররে হাতে তুলে দিয়ে শূণ্য হাতে ফেরেন সৌম্য সরকার। এরপর দারুণ দুটি জুটিতে ওই ধাক্কা আর দলকে বুঝতে দেননি তামিম। ক্যারিয়ারের ৩৩তম ফিফটিতে পৌঁছেছেন ৬৩ বলে। ৩৩তম ওয়ানডে ফিফটি। ৮৯তম আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিন সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়ে ৯,০০০ রানের মাইলফলক পেরিয়েছেন তামিম। আগে থেকেই তিন সংস্করণেই দেশের সর্বোচ্চ রানের মালিক তিনি। সর্বোচ্চ ১৪টি সেঞ্চুরিও তার। হাতের নাগাল থেকে ফিরে গেল ১৫তম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিটা।

ইমরুল কায়েসের সাথে শেষ ম্যাচে ১৪৭ রানের জুটি ছিল তামিমের। দুজনই নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই ম্যাচে ওপেন করে সমান ৭৩ রান করেছিলেন। এবার সৌম্য দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর ৮৩ রানের জুট গড়লেন ইমরুল ও তামিম। দুজনে সমানতালে এগিয়েছেন। ১৯তম ওভারে দ্বিতীয় সাফল্য আফগানদের। ৩৭ রানে ফিরে যান ইমরুল।

এরপর তৃতীয় উইকেটে মাহমুদ উল্লাহর সাথে ৭৯ রানের জুটি তামিমের। মাহমুদ উল্লাহও চমৎকার সঙ্গ দেন তামিমকে। বাংলাদেশের রান এগিয়ে যায়। তবে আরেকটু দ্রুত রানের চাকা ঘোরানোর ইচ্ছেতে খেলতে গিয়েই ফিরতে হয় তামিমকে। দলের তখন ১৬৩ রান।

 


মন্তব্য