kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইমরুলের বিদায়ের পর তামিমের ফিফটি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:০৭



ইমরুলের বিদায়ের পর তামিমের ফিফটি

নিচু হয়ে যাওয়া বলটার লাইনে ঠিকমতো আসতে পারেননি ইমরুল কায়েস। ব্যাট ছুঁয়েই উইকেট ভাঙল।

বোল্ড! আফগান স্পিনার মোহাম্মদ নবির বলে ১৯তম ওভারে আউট হয়ে ফেরার আগে ইমরুল অবশ্য বড় একটা কাজ করেছেন। তামিম ইকবালের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েছেন ৮৩ রানের জুটি। দলের ১ রানেই সৌম্য সরকারকে হারানোর পর দলকে পথে রাখতে যার মূল্যই অনেক। ইমরুলের বিদায়ের পর ক্যারিয়ারের ৩৩তম ফিফটিটা তুলে নিয়েছেন তামিম। ৬৩ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ফিফটি করেছেন এই বাঁ হাতি ড্যাশিং ব্যাটসম্যান। ওয়ানডেতে এটি তার ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি।

এই রিপোর্ট লেখার সময় ২২ ওভারের খেলা শেষ হয়েছে। তামিম ব্যাট করছেন ৫৮ রান নিয়ে। তার সাথে যোগ দিয়েছেন মাহমুদ উল্লাহ (৩)। বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০৩ রান। টস জিতে ব্যাট করছে টাইগাররা। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে চলছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। ৩৭ রান করে ফিরেছেন ইমরুল।

প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিমের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯০০০ রানও হয়েছে এই ম্যাচে। ১৫ রান দুরে ছিলেন। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯০০০ রান পার হওয়া বিশ্বের ৮৯তম ব্যাটসম্যান তামিম। তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড তার।

টাইগারদের শুরুটা বাজেই ছিল। ইনিংসের পঞ্চম বল। সৌম্য ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন আফগানদের সেরা বোলার দৌলত জাদরানকে। ১০ মাস পর ওয়ানডেতে ফিরেই ধাক্কা টাইগারদের। তবে তামিম ও ইমরুল ওই ধাক্কাকে আর বড় রূপ নিতে দেননি। আফগান বোলারদেরও চেপে বসতে দেননি। চমৎকার খেলে এই জুটি পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে বাংলাদেশকে ১ উইকেটে এনে দিয়েছিলেন ৫০ রান।

ইমরুল তামিমের বিশ্বস্ত পার্টনার। দুজনের বোঝাপড়া বরাবর ভালো। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের খেলা শেষ ওয়ানডেতে তারা ১৪৭ রানের জুটি গড়েছিলেন। দুজনই করেছিলেন সমান ৭৩ রান। যেখানে শেষ সেখান থেকেই আবার শুরু তাদের। দ্বিতীয় ওভারে নাভিদ-উল হককে দুটি বাউন্ডারি মেরে এরপর নিজের রাশ টেনেছেন তামিম। পরের ৬ ওভারে ৫টি বাউন্ডারি ইমরুলের। যদিও ভাগ্যবান তিনি। ক্যাচ উঠেছে দুইবার। কঠিন ছিল বলে ধরতে পারেননি আফগানরা। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে ৪ বোলার ব্যবহার করলেও আর কোনো সাফল্য মেলেনি সফরকারীদের।

তামিম-ইমরুলের ব্যাটিংয়ের সময় অন্তত পাঁচবার বল উঠেছে বাতাসে। ভাগ্যটা টাইগারদের বিশেষ ভালো বলেই একবারও ফিল্ডাররা নিতে পারেননি। ইমরুল ফিফটির দেখা না পেলেও ২২তম ওভারে লেগ স্পিনার রশিদ খানকে তিন বলের মধ্যে দুই বাউন্ডারি মেরেছেন। প্রথমটিতে তার ফিফটি এসেছে। পরেরটিতে দল পেরিয়েছে ১০০ রান।

বাংলাদেশ একাদশ : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদ উল্লাহ, সাব্বির রহমান, তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ।  
 


মন্তব্য