kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সৌম্যকে হারানোর ধাক্কা সামলেছেন তামিম-ইমরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:১৮



সৌম্যকে হারানোর ধাক্কা সামলেছেন তামিম-ইমরুল

শুরুটা বাজেই ছিল। ইনিংসের পঞ্চম বল।

বাংলাদেশের রান তখন ১। সৌম্য সরকার ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন আফগানদের সেরা বোলার দৌলত জাদরানকে। ১০ মাস পর ওয়ানডেতে ফিরেই ধাক্কা টাইগারদের। তবে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের জুটি ওই ধাক্কাকে আর বড় রূপ নিতে দেননি। আফগান বোলারদেরও চেপে বসতে দেননি। চমৎকার খেলে এই জুটি পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে বাংলাদেশকে ১ উইকেটে এনে দিয়েছেন ৫০ রান। তামিম ২৩ রানে ও ইমরুল ২৬ রানে ব্যাট করছিলেন। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে চলছে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। টস জিতেছে টাইগাররা।  

ইমরুল তামিমের বিশ্বস্ত পার্টনার। দুজনের বোঝাপড়া বরাবর ভালো। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের খেলা শেষ ওয়ানডেতে তারা ১৪৭ রানের জুটি গড়েছিলেন। দুজনই করেছিলেন সমান ৭৩ রান। যেখানে শেষ সেখান থেকেই আবার শুরু তাদের। দ্বিতীয় ওভারে নাভিদ-উল হককে দুটি বাউন্ডারি মেরে এরপর নিজের রাশ টেনেছেন তামিম। পরের ৬ ওভারে ৫টি বাউন্ডারি ইমরুলের। যদিও ভাগ্যবান তিনি। ক্যাচ উঠেছে দুইবার। কঠিন ছিল বলে ধরতে পারেননি আফগানরা। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে ৪ বোলার ব্যবহার করলেও আর কোনো সাফল্য মেলেনি সফরকারীদের।

অবৈধ বোলিংয়ের কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই ম্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তরুণ ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো ব্যাট করলেও তরুণ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সুযোগ পাননি। ওয়ানডেতে ফিরেছেন বাঁ হাতি তাইজুল ইসলাম। এই ম্যাচে বাংলাদেশের তিন পেসার ও দুই স্পিনার।

আফগানিস্তান বাংলাদেশে এসে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে সিরিজে নেমেছে। ওই ম্যাচে তারা ৬৬ রানে বিসিবি একাদশকে হারিয়েছিল।

১০ মাস পর আবার ওয়ানডে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। গত বছর টানা চারটি হোম সিরিজে জিতেছিল টাইগাররা। শেষটি ছিল নভেম্বরে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এতদিন পর ওয়ানডেতে ফিরে টাইগাররা নিজেদের ছন্দ কিভাবে খুঁজে নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বাংলাদেশ একাদশ : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদ উল্লাহ, সাব্বির রহমান, তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ।

আফগানিস্তান একাদশ : মোহাম্মদ শাহজাদ, শাবির নুর, রহমত শাহ, আসগার স্তানিকজাই (অধিনায়ক), হাশমাতুল্লা শাহিদি, নাজিবুল্লা জাদরান, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান, মিরওয়াইস আশরাফ, দৌলত জাদরান, নাভিদ-উল-হক।


মন্তব্য