kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্যামুয়েলস-স্টোকসের বিবাদ কি থামার নয়?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২৯



স্যামুয়েলস-স্টোকসের বিবাদ কি থামার নয়?

ক্রিকেটে বোলিং কিংবা ব্যাটিং জুটির বাইরেও আরও একটি জুটি আছে। তা হলো 'ঝগড়া'।

ঝগড়া কমপক্ষে দুজন ছাড়া হয় না। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন 'জুটি' নতুন নয়। অজি কিংবদন্তি ডেনিস লিলি বনাম পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াদাদ, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন বনাম গ্রেট পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা, কিউই ব্যাটসম্যান স্কট স্টাইরিশ বনাম অজি বোলার মিচেল জনসন কিংবা আফ্রিদি বনাম কোহলি বিবাদ ক্রিকেট ইতিহাসে কলঙ্কিত স্থান করে নিয়েছে।

তেমনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মার্লন স্যামুয়েলস আর ইংল্যান্ডের বেন স্টোকসের ঝগড়া যেন কিছুতেই থামছে না। গত বছর গ্রানাডা টেস্ট থেকেই দুজনের দা-কুমড়া সম্পর্ক। ওই টেস্টে স্টোকস আউট হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে বিদ্রুপ করে প্যাভিলিয়নের পথ দেখিয়েছিলেন স্যামুয়েলস। স্টোকস প্যাভিলিয়নে ফেরার সময় তাকে মিলিটারি কায়দায় স্যালুট দিয়ে ক্ষেপিয়ে দিয়েছিলেন স্যামুয়েলস।  সেই অপমান ভুলতে পারেননি স্টোকস।

আবার চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় দুজনের সামনাসামনি মোকাবিলা হয়। সেই ম্যাচে স্যামুয়েলস ৮৭ রান করে ম্যাচ জিতিয়ে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। আর ব্রাথওয়েট তো পরপর চার বলে চারটে ছক্কাও মারেন স্টোকসের বলে। বেচারা স্টোকস সেবারও বদলা নিতে ব্যর্থ হন।

সেদিন ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে এসে স্যামুয়েলস বলেন, "স্টোকস একেবারে শিক্ষানবিশ। ও একেবারে নার্ভাস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার কিছুই শেখেনি। "

এবার ইংল্যান্ডের একটি সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকারে স্টোকস বলেছেন, "স্যামুয়েলস সম্পর্কে যত কম কথা বলা যায়, ততই ভালো। কারণ, ওকে এখনও মানুষকে সম্মান করা শিখতে হবে। আচার আচরণ, ব্যবহার করা ওকে এখনও অনেক কিছু শিখতে হবে। "


মন্তব্য