kalerkantho


লোকে প্রশ্ন করে, 'জিমন্যাস্টিক্স মানে কি সার্কাস?’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৫৪



লোকে প্রশ্ন করে, 'জিমন্যাস্টিক্স মানে কি সার্কাস?’

দীপা কর্মকার। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেয়েটির পরিচিতি আজ বিশ্বব্যপী।  অলিম্পিকের ফাইনালে কোয়ালিফাই হওয়া পাঁচ ভারতীয় নারী জিমন্যাস্টের একজন তিনি। রিও অলিম্পিকে তিনি ১৫.০৬৬ পয়েন্ট নিয়ে মেয়েদের ভল্টে চতুুর্থ স্থান করে নেন। একটুর জন্য মিস করেন ব্রোঞ্জ। এই সফলতার জন্য ২৩ বছর বয়সী মেয়েটিকে যে ভীষণ পরিশ্রম করতে হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। পরিচিতি পাওয়ার পাশাপাশি তাকে পড়তে হয়েছে নানা মজার ঘটনায়।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকারে দীপা বলেছেন, “লোকে আমাকে জিজ্ঞেস করে, জিমন্যাস্টিক্স জিনিসটা আসলে কী? এটা কি সার্কাসের মত কিছু?”

উপমহাদেশে সার্কাসের খুব প্রচলন ছিল একসময়। এখন সার্কাসের দল কমে গেলেও মাঝে মধ্যে সার্কাসের আয়োজন করা হয়। সার্কাস দলে খেলোয়াররা নানা মারাত্মক এবং মনোমুগ্ধকর শরীরী কসরৎ প্রদর্শন করেন। তাই উপমহাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে দৈহিক কসরৎ মানেই সার্কাস।

কিন্তু দীপার এই ইতিহাস গড়ার পরও সেই ধারণার কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে?

দীপা বলেন, এখন সবাই বুঝেছে যে পাশের বাড়ির মেয়েটি অলিম্পিকে গিয়ে কিছু একটা করেছে; যার জন্য তার এত সুনাম। তবে, লোকে জানতে চাচ্ছে খেলাটি সম্পর্কে। জিমন্যাস্টিক্সের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

তাহলে জিমন্যাস্টিক্স আসলে কী?

দীপার উত্তর, “একজন জিমন্যাস্টকে শুধু প্লে গ্রাউন্ডে গিয়ে ভারসাম্যের খেলা দেখানো নয়;  পাশাপাশি প্রতিযোগিতা করতে হয় সারা বিশ্ব থেকে আসা জিমন্যাস্টদের সঙ্গে। তাকে ভারসাম্য করতে হয় তার প্রশিক্ষণ এবং খেলার মধ্যে। আর তাতেই প্রদর্শনীটি মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠে। ”

দীপা এখন অবশ্য তার পড়াশোনায় মনযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি খেলাটাও চলছে। ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিক্সে ভারতকে সোনা জেতানো তার লক্ষ্য। তাই ভল্টের মত পড়াশোনার সাথেও খেলার ব্যালেন্স করছেন তিনি। পরীক্ষায় ৮০% নম্বরের আশা তিনি করছেন না, তবে ৬০/৭০ শতাংশ নম্বর পেলেই তিনি খুশি।

-এনডিটিভি


মন্তব্য