kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এবার নারী ফুটবলার কলসিন্দুরের তাসলিমার বাবাকে পেটানো হলো

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০২:৪২



এবার নারী ফুটবলার কলসিন্দুরের তাসলিমার বাবাকে পেটানো হলো

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাইপর্বের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য তাসলিমার বাবা সবুজ মিয়াকে (৪০) মারধর করেছেন কলসিন্দুর হাই স্কুলের শরীরচর্চা শিক্ষক জুবেদ তালুকদার ও তাঁর সহযোগীরা।   বুধবার রাতে জেলার ধোবাউড়ার কলসিন্দুর বাজারের মহিলা মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।

তাসলিমার বাবা সবুজ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন,  বুধবার বিকেলে কলসিন্দুর হাই স্কুলের শরীর চর্চা শিক্ষক জুবেদ তালুকদার অনূর্ধ-১৬ নারী ফুটবল জাতীয় দলের ৯ খেলোয়াড় এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়ে সভা করেন। সভায় জুবেদ তালুকদার ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যেতে নিষেধ করেন এবং  স্কুল টিমের হয়ে খেলতে বলেন।

উপস্থিত অভিভাবক ও খেলোয়াড়রা তার এই কথার বিপরীতে কথা বলায়  ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন জুবেদ। এ নিয়ে বিবাদ হয়। এরপরে রাত ৯টায় কলসিন্দুর বাজারে মহিলা মার্কেটে জুবেদ তালুকদার ও তাঁর সহযোগীরা তাসলিমার বাবা সবুজকে কিল ঘুষি মারেন এবং লাঠিপেটা করেন। ওই সময় তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান সবুজ মিয়া।

এদিকে বুধবার ঢাকা থেকে ধোবাউড়াগামী লোকাল বাস নিলয় পরিবহণ নামের একটি লোকাল বাসে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে ইতিহাস সৃষ্টিকারী সোনালী মেয়েদের বাড়ি ফিরতে হয়। বাসটি থেমে যাত্রী তুলছে রাস্তায়।   যাত্রা পথে বিভিন্ন স্থানে কটূক্তি আর অশ্লীল বাক্য শ্রবণ করতে হয় তাঁদের। কয়েকজন এসে প্রচণ্ড খারাপ ভাষায় কথা বলে। কয়েজকজন পাশে দাঁড়ালেও তাদেরও শুনতে হয় বাজে কথা।   যখন এ নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় তখনই আরো একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটলো বলে মনে করছেন কলসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দারা।

তাসলিমার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং অভিযুক্তদের বিচার দাবি করেন।

ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আক্কাছ উদ্দিন ভু্ষ্ণা সাংবাদিকদের বলেন, ধোবাউড়া থানার ওসিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলম জানান, এসআই মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে অভিযুক্তদের কাউকেই সেখানে পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য