kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আমাকে নতুন করে প্রমাণের আর কিছু নেই: ইমরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৫৬



আমাকে নতুন করে প্রমাণের আর কিছু নেই: ইমরুল

ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে যতই ভালো খেলুক না কেন তাকে সবাই চিনে টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে। অথচ ওয়ানডে দিয়েই শুভ সূচনা করেছিলেন তিনি।

এছাড়া গেল বিপিএলেও দারুণ খেলা উপহার দিয়েছেন। তবে যে যাই বলুক না কেন ইমরুল কায়েস মনে করেন তিনি ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটের জন্যই ফিট।  

আজ বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি না যে আমি শুধুই একজন টেস্ট ক্রিকেটার। আমার বিশ্বাস টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতেও সমান পারদর্শী। আমাকে নতুন করে প্রমাণের আর কিছু নেই। আমি জানি কোনটা করতে পারি আর কোনটা করতে পারি না। বিগত দিনগুলোতে আমি ওয়ানডেতে ভালো পারফর্ম করেছি। টি-টোয়েন্টিতেও তেমনি ছিলাম। আপনারা দেখেছেন বিপিএলেও আমি ভালো খেলেছি, টেস্টে তো খেলছিই। আমি মনে করি এখন সব ফরম্যাটের জন্যই আমি ফিট। ’

অপর সঙ্গী তামিম ইকবাল নিজের জায়গাটা বেশ পাকাপোক্ত করতে পারলেও নানা কারণে দল থেকে ছিটকে পড়তে হয় ইমরুলকে। তবে বিষয়টিকে সহজভাবেই মেনে নিয়েছেন তিনি। আর পাশাপাশি একে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন এই ওপেনার।

ইমরুল বলেন, ‘অভ্যস্ত হয়ে গেছি, তাই এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। বিশ্বকাপেও আমার থাকার কথা ছিল কিন্তু ছিলাম না। প্রথমে খারাপ লেগেছে পরে অবশ্য ভেবেছি এটাই জীবন। এভাবেই নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি। তবে এখন চ্যালেঞ্জ হলো নিজেকে কতদূর নিয়ে যেতে পারি সেটাই। ’

দলে জায়গা পাওয়ার প্রতিযোগিতা ভালো করেই জানেন ইমরুল কায়েস। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে খেলতে না পারলে পারফরম্যান্স করা কঠিন বলে মনে করেন তিনি। এ ছাড়াও সুযোগ পেলেও একজন ওপেনার হবার পরেও দলের প্রয়োজনে তাকে প্রায়ই জায়গা ছেড়ে তিন-চারে খেলতে হয়। এটাকেও স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছেন ইমরুল। সমস্যা হলেও দলে থাকার জন্য বাধ্য হয়েই মেনে নিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমি ওপেনিংয়ে খেলে আসছি। এখানেই সব থেকে ভালো হয়। তবে উঠা-নামা করলে সমস্যা হয়। কিছু করার নেই। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে যখন আপনার ব্রেক আসবে সেখান থেকে ফিরে আসাটা কঠিন। দলের সাথে মানিয়ে নেয়াটাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, যেটা ধারাবাহিকভাবে খেলে গেলে কোনো সমস্যা হয় না। পথটা অনেক মসৃণ হয়। ’


মন্তব্য