kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে থাকতে হবে ৬ অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:৩২



দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে থাকতে হবে ৬ অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ) অশ্বেতাঙ্গদের অনুকূলে নতুন আইন নিয়ে এল। এখন থেকে তাদের প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের একাদশে অন্তত ছয়জন অশেতাঙ্গ খেলোয়াড় থাকতে হবে।

এর মধ্যে অবশ্যই অন্তত দুজনকে কালো আফ্রিকান হতে হবে। শনিবার এই ঘোষণা দেয় তারা। আর তা কার্যকর হবে এখন থেকেই।

দক্ষিণ আফ্রিকার ৮০.২ শতাংশ মানুষ কালো। কালারড বা মিশ্র জাতি ৮.৮ শতাংশ। সাদা বা শ্বেতাঙ্গ ৮.৪ শতাংশ। ২.৫ শতাংশ এশিয়ান। তাদের ক্রিকেটে অবশ্য সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গদের দাপট। অশ্বেতাঙ্গরা একসময় ছিল ব্রাত্য। কিন্তু দিন বদলের পালায় চিত্র ধীরে ধীরে পাল্টেছে। এখনো দেশটির লড়াই ক্রিকেটকে গোটা দেশের খেলায় রূপ দেওয়ার।

নতুন আইনে প্রতি ম্যাচের একাদশে যে ছয়জন অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড় থাকতে হবে তা না। যদি ম্যাচের প্রয়োজনে কোনো খেলায় একজনও অশ্বেতাঙ্গ না রাখা সম্ভব হয় তাতেও সমস্যা নেই। গোটা মৌসুমের হিসেবে গড় মেলাতে হবে। তাহলেই হবে। অন্য ম্যাচগুলো দিয়ে এই অভাব পূরণ করতে হবে।

এমন সময় দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ড এই আইন করলো যখন তারা আসলে চাপেই আছে। তাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সিএসএর কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এটা উন্নতির স্থবিরতার শাস্তি। যদিও সিএসএ এই অভিযোগ মানে না। তারা ২০১৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

২০১৩ সালে এই পরিবর্তনের পালায় সিএসএ ঘরোয়া ক্রিকেটে ফ্রাঞ্চাইজি পর্যায়ে পাঁচজন ও আধা-পেশাদার পর্যায়ে ছয়জন অশ্বেতাঙ্গ রাখার আইন করে। ২০১৫ সালে বোর্ড নতুন আইনে রাজ্য পর্যায়ে ৬ অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড় মাঠে নামানোর আইন করে। তার তিনজন কালো আফ্রিকান হতে হবে। এখন জাতীয় দলেও পরিবর্তন এলো।

এই লক্ষ্য অবশ্য আইন হওয়ার আগে সাম্প্রতিক ম্যাচে পূরণ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টে ঠিক ছয়জন করেই অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড় খেলিয়েছে। জুনে ক্যারিবিয়ায় ওয়ানডের কোনো ম্যাচেই ছয়জনের কম খেলোয়াড় খেলায়নি। অবশ্য কালো আফ্রিকান খেলোয়াড় কোনোটিতে একজন আবার কোনোটিতে দুজন ছিল। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তো আটজন অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড় একাদশে রেখে ইতিহাস গড়ে ফেলে প্রোটিয়ারা।


মন্তব্য