kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশের বোলিং কোচ হয়ে রোমাঞ্চিত ওয়ালশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:১১



বাংলাদেশের বোলিং কোচ হয়ে রোমাঞ্চিত ওয়ালশ

কিংবদন্তি খেলোয়াড়রা বেশির ভাগ সময়ই কিংবদন্তি কোচ হতে পারেন না। ক্যারিবিয়ান গ্রেট কোর্টনি ওয়ালশ কি হতে পারবেন? এই পরীক্ষাটা বাংলাদেশে হয়ে যাবে একসময় টেস্ট উইকেট শিকারে বিশ্ব রেকর্ডের মালিক থাকা এই সাবেক ফাস্ট বোলারের।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলিং কোচ হয়েছেন তিনি। চুক্তি ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। শিগগিরই দায়িত্ব নিতে ঢাকায় আসছেন ওয়ালশ।

গেল দুই বছর বাংলাদেশের বোলিং কোচ ছিলেন হিথ স্ট্রিক। মে মাসে জিম্বাবুয়ের এই সাবেক ফাস্ট বোলারের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি শেষ হয়। এরপর তার চুক্তি নবায়নের ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু তিনি আর থাকতে চাননি। তার জায়গায় সম্ভবত সেরা মানুষটাকেই পেলেন বাংলাদেশের বোলাররা।

২০০১ সালে টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ওয়ালশ। তখন তার নামের পাশে ১৩২ টেস্টে ৫১৯ উইকেট। তখনকার বিশ্ব রেকর্ড। পরে ভেঙেছে যা। জ্যামাইকার এই কীর্তিমান এরপর নানা ভূমিকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডে কাজ করেছেন। নির্বাচক, সিপিএল দলের মেন্টর, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ম্যানেজার। এ রকম আরো কিছু। শেষ ছিলেন নির্বাচক প্যানেলের সদস্য। কিন্তু কখনও কোচের ভূমিকায় কাজ করেননি। বাংলাদেশে তাই ৫৩ বছরের ওয়ালশের পরীক্ষা বটে।

নতুন দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত ওয়ালশ। বিশেষ করে উন্নতি করতে থাকা টাইগারদের নিয়ে খুব উল্লসিত। ওয়ালশ বলেছেন, "দূর থেকে দেখেছি বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা খুব প্রতিভাবান। প্রধান কোচ হিসেবে চন্দিকা হাথুরুসিংহে দারুণ কাজ করছেন। আশা করি আমিও উন্নতির অংশ হতে পারবো। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আমার ঘর। কিন্তু প্রতিভাবানদের সাথে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার সুযোগটা মিস করতে চাইনি। "

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হওয়া দ্বিতীয় হাই প্রোফাইল ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ওয়ালশ। এর আগে কাজ করে যাওয়া কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান গর্ডন গ্রিনিজ বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখে গিয়েছিলেন। তিনি প্রধান কোচ থাকার সময় বাংলাদেশ ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জেতে প্রথমবারের মতো। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে খেলে। ওটাই বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ।  


মন্তব্য