kalerkantho


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

দারুণ লড়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার নারীরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ১৮:১৫



দারুণ লড়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার নারীরা

৪২ বলে ৪৫ রান দরকার। হাতে ৯ উইকেট। ইংল্যান্ডের মেয়েদের জয়টা তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে তারাই যাচ্ছে ফাইনালে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে অসাধারণভাবে লড়াইয়ে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। বুঝিয়ে দেয় কেন তারা গেলো তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেল অস্ট্রেলিয়া। বুধবার আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৩২ রান করেছিল তারা। এরপর ইংল্যান্ডকে থামিয়ে দেয় ৭ উইকেটে ১২৭ রানে।

ট্যামি বিমন্ট তখন ৩২ রানে, সারাহ টেলর ১২ রানে। ইংল্যান্ডের ওপেনিং জুটি ভেঙ্গেছে ৬৭ রানে। অধিনায়ক শারলট এডওয়ার্ডস ৩১ রান দিয়ে গেছেন। পেসার মেগান স্কাট এই সময়ে বিমন্টকে তুলে নিলেন। দেখতে না দেখতে ১৪ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে হারের মুখে পড়ে গেলো ইংলিশরা। শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য ২১ রানের হিসেব তখন ইংল্যান্ডের। স্কাটের ১৯তম ওভারে ২ উইকেট পড়লো। আর ফেরা হলো না সাবেক চ্যাম্পিয়ন ইংলিশদের। নেয়া হলো না গত দুই আসরের ফাইনালে হারের প্রতিশোধ। তীরে এসে তরি ডুবিয়ে বুকভাঙ্গা কষ্টের শিকার তারা। অস্ট্রেলিয়ানদের তখন দেখে কে!

ম্যান অব দ্য ম্যাচ কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মেগ ল্যানিং। আসলে ব্যাট হাতে ৫০ বলে ৬ বাউন্ডারিতে খেলা ৫৫ রানেই তো ব্যবধানটা তৈরি করে দিয়েছিলেন তিনি। টস হেরে ফিরোজ শাহ কোটলায় অস্ট্রেলিয়ার শুরু দেখে বড় সংগ্রহের কথাই মনে হয়েছিল। কিন্তু ইংলিশ বোলাররা লড়াইয়ে ফিরে তা আর হতে দেননি। ষষ্ঠ ওভারে ওপেনিং জুটি ভেঙ্গেছে। এলিস ভিলানি ১৯ রান করে ফিরেছেন।

এর পরের গল্পটা ল্যানিংয়ের। আক্ষরিক অর্থেই ক্যাপ্টেন্স নক খেলেছেন। গ্রেট ইয়ান হিলির ভাতিজি ওপেনার অ্যালিসা হিলি ২৫ রান করে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু ল্যানিং ৩৬ রানের জুটি গড়েছেন এলিস পেরির (১০) সাথে। চতুর্থ উইকেটে ল্যানিং ও অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েলের (১১) মাঝে হলো ৩৭ রানের জুটি। দুই জুটিতেই ল্যানিংয়ের বড় অবদান। শেষ ওভারে আউট হয়েছেন অধিনায়ক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার ইনিংসই দুই দলের মধ্যে জয় পরাজয় নিশ্চিত করতে রেখেছে বিশাল ভূমিকা।


মন্তব্য