kalerkantho


খুব আবেগী হয়ে পড়েছিলেন কোহলি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৫৮



খুব আবেগী হয়ে পড়েছিলেন কোহলি

খেলাটা প্রাণ দিয়ে খেলেন। প্রতি মুহূর্তে খেলার মধ্যেই থাকেন।

আবেগ তাই সবসময় বিরাট কোহলির মধ্যে ঘুরে ফেরে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মোহালির বাঁচা-মরার ম্যাচের সাথে কোনোকিছুর তুলনা চলে না। সেই ম্যাচে অধিনায়ক এমএস ধোনি শেষ ওভারে জয়সূচক বাউন্ডারিটা মেরে দেয়ার পর আবেগে যেন বাকশূণ্য হয়ে পড়েছিলেন কোহলি। বুঝতে পারছিলেন না কিছুই। ভারতীয় বোর্ডের ওয়েবসাইটে এমন কথাই বলেছেন শেষ ম্যাচের হিরো কোহলি। তার বীরোচিত ৫১ বলের অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংসে ভারত খেলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।

"ধোনিকে উইনিং রানের জন্য মারতে দেখার সময়টা খুব আবেগঘন অনুভূতির ছিল। কি বলা যায় ওটাকে বুঝি না-" বলেছেন ২৭ বছরের কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে জেতা ম্যাচে শেষ ১৮ বলে ৩৯ রান দরকার ছিল ভারতের।

জেমস ফকনারকে ১৮তম ওভারে দুটি চার ও একটি ছক্কা মেরেছেন কোহলি। ওই ওভার থেকে এসেছে ১৯ রান। তাতে জয়টা অনেক সহজ হয়েছে। পরের ওভারে কল্টার-নাইলকে টানা চার বাউন্ডারি মেরে তো জয়টা হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছেন কোহলি। ধোনি শুধু বাউন্ডারি মেরে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছিলেন। কোহলি বলেছেন, "নিজের ভেতর থেকেই জানতাম ১৮তম ওভারে আমার ফকনারকে টার্গেট করতে হবে। "

ম্যাচটা হারলে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়তো ভারত। তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ধুলোয় লুটাতো। ১৬১ রানের টার্গেট তাড়া করে ১০ ওভার পর হারের ভয় চেপে ধরেছিল কোহলিকে। শেষ ৬০ বলে জিততে ৯৬ রান দরকার ছিল। কোহলি নাকি নিজেও জানেন না কিভাবে কি হলো! নিজেই বলেছেন, "কিভাবে ধোনির সাথে খেলায় ফিরলাম, এটা করে ফেললাম জানি না। মাঠে থাকলেও বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে এসব ঘটছে। দলের জন্য তা করতে পেরেছি বলেই কৃতজ্ঞ আমি। খেলোয়াড় হিসেবে এই অনুভূতিটাই আসল। দলের জন্য অসাধারণ মুহূর্ত ছিল ওটা। সতীর্থদের উদযাপন করতে দেখার অনুভূতিটা অসাধারণ। "


মন্তব্য