kalerkantho


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

আত্মবিশ্বাসী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের অস্তিত্বের লড়াই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৩৭



আত্মবিশ্বাসী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের অস্তিত্বের লড়াই

পাকিস্তানের এবার বাঁচা-মরার লড়াই। হারলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা।

আর তাদের হারাতে পারলেই নিউজিল্যান্ড চলে যাবে সেমিফাইনালে। বিশ্বকাপে এমনই এক ম্যাচে দলদুটি চন্ডিগড়ে মুখোমুখি হচ্ছে। বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় গ্রুপ টুর ম্যাচটি শুরু হবে।

নিউজিল্যান্ড এই আসরে চমক দিয়ে যাচ্ছে। প্রথম ম্যাচে শিরোপাপ্রত্যাশী স্বাগতিক ভারতকে হারিয়ে দিয়েছে নাগপুরে। পরের ম্যাচে ধর্মশালায় ট্রান্স-তাসমান লড়াইয়ে জিতেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিউইদের পরিকল্পনা খুব কাজে লাগছে। এখনো নতুন বলের দুই পেসার টিম সাউদি ও ট্রেন্ট বোল্টকে মাঠে নামায়নি তারা। তাদের বোলিংয়ের গভীরতা খুব।

কিন্তু প্রথম ম্যাচে তিন স্পিনার ভারতকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পরের ম্যাচে দুই স্পিনারের সাথে পেসার মিচেল ম্যাকক্লেনাঘান অস্ট্রেলিয়ার সর্বনাশ করেছেন। চন্ডিগড়ের জন্যও নিশ্চয় ভিন্ন পরিকল্পনা থাকবে নিউজিল্যান্ডের। তিন স্পিনার ন্যাথান ম্যাককালাম, মিচেল স্যান্টনার ও ইশ সোধিকে ঘিরেই থাকবে মূল পরিকল্পনা।

এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার ব্যর্থতাকে সঙ্গী করে পাকিস্তান শুরু করে বিশ্বকাপ। সেখানে প্রথম ম্যাচে তাদের ব্যাটিং-বোলিং জ্বলে উঠেছে। তাতে বাংলাদেশের সাথে বেশ সহজেই জিতেছে। কিন্তু ইডেন গার্ডেন্সেই পরের ম্যাচে পরিকল্পনায় মার খেয়েছে। চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ইডেনে সীমিত ওভারের ম্যাচে প্রথমবারের মতো হেরেছে। এই হার শহীদ আফ্রিদির দলকে কোণঠাসা করে দিয়েছে। পাকিস্তানি সমর্থকরা ভারতের বিপক্ষে হার মেনে নিতে জানে না। তারা ঘুরে দাঁড়ানো দলকে দেখতে চায়।

ইডেনে স্পিনারের বদলে পেসার নেওয়ার পরিকল্পনাও পাকিস্তানের কাজে আসেনি। টার্নিং পিচে যথেষ্ট রান করতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। আফ্রিদি নিজে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সফল হলেও পরের ম্যাচে ব্যর্থ। বিরাট কোহলির জবাব খুঁজে পায়নি তারা। মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ সামি প্রাথমিক ধাক্কা দিলেও কোহলি ও যুবরাজ সিং ম্যাচটা বের করে নেন।

সমস্যা নিউজিল্যান্ডেরও আছে। এই দলটি পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা ১৪ ম্যাচের ৬টি জিতেছে, ৮টি হেরেছে। জানুয়ারিতে নিজেদের মাটিতে প্রথম খেলায় হেরেও ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ এ জিতেছে। কিউইরা সেদিক দিয়ে এগিয়ে। কিন্তু তাদের ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। দুই ম্যাচ শেষ। তাদের কোনো ব্যাটসম্যান ফিফটি পাননি। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে রান করেছিল ১২৬। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৪২। পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে এত কম রান করে শঙ্কামুক্ত থাকা যাবে না। খেলাটা উপমাহদেশের মাটিতে। সেটাও বিবেচ্য। তারপরও নিউজিল্যান্ডাররা আত্মবিশ্বাসে উড়ছে। পাকিস্তানের কাজটা খুব কঠিনই হওয়ার কথা।   


মন্তব্য