kalerkantho


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

প্রোটিয়াদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে প্রতিপক্ষ আফগানরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ১৭:০৪



প্রোটিয়াদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে প্রতিপক্ষ আফগানরা

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে নানা ঘটনা ঘটে। বেশি ঘটেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপে।

কখনো বৃষ্টি আইনে ১ বলে ২২ রান দরকার হয় তাদের! কখনো দুই ব্যাটসম্যান এক প্রান্তে চলে এসে টাই করে ফেলেন! কখনো ডাকওয়ার্থ-লুইস আইনে জয়ের টার্গেট বুঝতে ভুল করে বসে! এসব কাণ্ডে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদায় নিতে হয়। কখনো জেতা হয় না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও বাদ যায় কেন! এই যেমন শনিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ২২৯ রান করে ফেলল টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। বোলাররা সেই রানও রক্ষা করতে পারলেন না! ২ বল বাকি থাকতে হারল প্রোটিয়ারা! 'চোকার' পরিচিতি পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষেই কেবল এসব সম্ভব! কিন্তু রবিবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেদে স্টেডিয়ামে পা পিছলে গেলে চলবে না। প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। তাদের বিপক্ষে জিততেই হবে। খেলা শুরু বিকেল সাড়ে ৩টায়।

আসলে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডুবিয়েছে। বিশ্বকাপের রেকর্ড রান তুলেও জিততে পারেনি তাই।

ডেল স্টেইন, কাগিসো রাবাদা, কাইল অ্যাবট, ক্রিস মরিস, ইমরান তাহিরের মতো বোলার আছে। কিন্তু ইংল্যান্ডকে ঠেকাতে পারেননি কেউ। ব্যাটসম্যানরা প্রত্যেক বোলারের বিপক্ষে আগ্রাসী শট খেলেছেন। এমন নয় যে প্রোটিয়াদের বোলিং আক্রমণ খারাপ। কিন্তু তাদের চাপে ফেলেই তো হারিয়েছে ইংলিশরা। অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসের মাথায় ঘাম জমতেই পারে।

ব্যাটসম্যানরা দারুণ খেলেছেন। কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলা বিধ্বংসী শুরু দিয়েছিলেন। জেপি ডুমিনি ও ডেভিড মিলার ধ্বংসাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষটা টেনেছেন। তাতে বিশাল স্কোর পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।

আফগানিস্তান নিশ্চয়ই ম্যাচটা দেখেছে। এই বিশ্বকাপে টেস্ট পরিবারের বাইরের একমাত্র দল তারা। প্রথম রাউন্ড পেরিয়েছে অপরাজিতভাবে। জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে সুপার টেনে এসেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান তুলেছিল তারা। এটা তাদের জন্য অর্জনও বটে। অধিনায়ক আসগার স্তানিকজাই খেলেছিলেন ৬৩ রানের দারুণ ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে হারলেও আফগানদের লড়ার মানসিকতা আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র দেখায় তারা সহজে হেরেছে। কিন্তু দলটা ব্যাটিং-বোলিংয়ে লড়াকু। দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাই সতর্ক থাকতেই হবে।


মন্তব্য