kalerkantho


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ভারত-পাকিস্তান মহারণ শনিবার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৩২



ভারত-পাকিস্তান মহারণ শনিবার

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে কখনো হারেনি ভারত। না ওয়ানডে বিশ্বকাপে।

না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। গেলোবারও খুব সহজে পাকিস্তানকে গুড়িয়ে দিয়েছে তারা। কিন্তু নাগপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা ভারতকে দিয়েছে বড় ধাক্কা। আর কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। আর এই ভিন্ন পরিস্থিতিতেই হতে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচয়ে বড় ম্যাচ। ইডেনেই শনিবার রাত আটটায় উপমহাদেশের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দলদুটি শক্তি পরীক্ষায় নামছে।

ইডেনে ভারতের বিপক্ষে একসময় খুব সাফল্য পেয়েছে পাকিস্তান।

এখন তো খেলাই হয়না। টি-টোয়েন্টিতে কখনো বিখ্যাত এই মাঠে দেখা হয়নি তাদের। অবশ্য দলদুটি টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ খেলেছে মোটে ৭টি। তার ৫টিতে ভারতের জয়। ১টিতে পাকিস্তানের। আর ১টি টাই। ভারত অবশ্য ওই একমাত্র হারের দেখা পেয়েছে নিজেদের দেশেই। এই দুই দলের ম্যাচ মানেই দারুণ চাপ। ভারতের আবার ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে ঘুড়ে দাঁড়ানোর লড়াই। পাকিস্তানের ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসকে আরো বাড়িয়ে নেবার যুদ্ধ।

কদিন আগেই পাকিস্তানেক টি-টোয়েন্টিতে হারানোর অভিজ্ঞতা আছে ভারতের। সেটি ঢাকায়। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে। জয়টা সহজই ছিল। একটি ব্যাপার ছাড়া। ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা পেসার মোহাম্মদ আমির আগুনে স্পেল করেছিলেন। তাতে বড় ধাক্কা খেয়েছিল ভারতের ব্যাটিং। সেটা সামলেই জিতেছে তারা। রোহিত, শর্মা, বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না, যুবরাজ সিং, এমএস ধোনিদের জন্য রান তোলার পরীক্ষাও। কারণ, আগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ড তাদের মাত্র ৭৯ রানে অল আউট করে দিয়েছিল। দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বনিম্ন স্কোর যেটি।

অধিনায়ক ধোনির বিশ্বাস আছে দলের ওপর, "আসল ব্যাপার হলো সবকিছু পাল্টে ফেলা ও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসা। আমরা যা আগেও অনেকবার করেছি। " পাকিস্তান বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৫ রানের জয়ে নিজেদের খুঁজে পেয়েছে। ১৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে হারিয়ে যাওয়া নিজের ব্যাটিংও ফিরে পেয়েছেন অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। ওই জয়কে মনোবল ফিরে পাওয়ার জয় বলেছেন। আর ভারতের ব্যাপারে তার ভাষ্য, "শেষ ম্যাচে হারলেও ভারত ভালো ক্রিকেট খেলছে। "

তা তো খেলছিল। ১১ ম্যাচের ১০টি জেতার পর কিউইদের সামনে গোত্তা খেয়েছে তারা। ইডেনের উইকেট নাগপুরের মতো স্পিন সহায়ক হবে না। ভারতও পেসে জোর দিতে চাইবে। কলকাতার ঘরের ছেলে মোহাম্মদ শামি খেলতে পারেন। পাকিস্তান তাদের তিন পেসারেই ভরসা রাখবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ইডেনেই কোনো এক বিচিত্র কারণে দারুণ সমর্থন পেয়েছিল পাকিস্তান। স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে তো আর তা পাবে না। প্রতিকূল পরিবেশে লড়াই তাদের। আর সেই লড়াই মরীয়া ভারতের বিপক্ষে। যে শত্রুর সাথে পেরে ওঠে না তারা। কিন্তু পরিস্থিতি এমন যে দারুণ জমজমাট এক লড়াইয়ের প্রত্যাশা করাই যায়।  


মন্তব্য