kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ইডেনে পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখলেন মাশরাফি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৫৭



ইডেনে পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখলেন মাশরাফি

ছেলেবেলা থেকে ইডেন গার্ডেন্সের কথা শুনে এসেছেন। একটু বড় হয়ে এর মহাত্ম বুঝছেন। দলের সবার মতো টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার স্বপ্নও ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে খেলা। সেই স্বপ্ন বুধবার পুরণ হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার টেনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে শেষ ৫ দেখার প্রতিটিতে পাকিস্তানকে হারিয়েছে মাশরাফির বাংলাদেশ। তাহলে এই ম্যাচেও কি বাংলাদেশ ফেভারিট? না। ইতিহাসে চোখ রেখে মাশরাফি এগিয়ে রাখলেন পাকিস্তানকে। তবে বড় কিছু ঘটাতে চায় দল। ইডেন গার্ডেন্সে মঙ্গলবার মাশরাফির সংবাদ সম্মেলনের চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরা হলো কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য।

এই ম্যাচে কোন দল ফেভারিট সেই প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: অভিজ্ঞতায় পাকিস্তান আমাদের চেয়ে এগিয়ে। তবে শেষ দুই মাসে এই ফরম্যাটে আমরা নিজেদের ভালো দল হিসেবে প্রমাণ করেছি। আমাদের প্র্যাকটিস ভালো হয়েছে। এরপর অসাধারণ একটা এশিয়া কাপ গেলো। শেষ ম্যাচগুলোতে আমাদের পরিকল্পনা কাজে এসেছে। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে পাকিস্তান এগিয়ে।

শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবাল ও দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: তামিম ভালো টাচে আছে। এটা টি-টোয়েন্টি বলে তামিম শুধু নয়, সব ব্যাটসম্যানকে জ্বলে উঠতে হবে। বাংলাদেশের চেয়ে এখানকার উইকেট ভিন্ন। এখানে উইকেট অনেক ফ্ল্যাট। তামিমরা তাই আক্রমণ করতেই পারে।

শেষবার ইডেনে বাংলাদেশ খেলেছে ১৯৯০ সালে। ওই একবারই খেলেছে। শ্রীলঙ্কার কাছে ৭১ রানে হেরেছিল। দীর্ঘদিন পর সেই মাঠে খেলার প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: আমরা সবাই রোমাঞ্চিত। এটা বিশ্বের অন্যতম বড় মাঠ। এখানে ভালো কিছু স্মৃতি চাই। ইডেন গার্ডেন্স, লর্ডস, মেলবোর্নের মতো বিখ্যাত মাঠে সব ক্রিকেটারই খেলতে চায়। ছোটোবেলা থেকে শুনেছি। আমরা এখানে ভালো করতে চেষ্টা করবো।

কন্ডিশন ও উইকেট প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: আমরা এখানে তেমন খেলিনি। কিছু ম্যাচ দেখলাম। বুঝলাম উইকেট স্লো। এটা বিশ্বকাপ বলে উইকেট আরো বেশি পাটা হবে। প্রথমে আমরা দেখবো, তারপর ইনিংস দাঁড় করাবো।

১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানো বাংলাদেশের প্রথম আপসেট ছিল। সেটাকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের টার্নিং পয়েন্ট বলে সেই প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: ১৯৯৯ সালে আমরা পাকিস্তানকে হারিয়েছিলাম। আমি তখন ছোটো। মনে আছে, আমি তখন কেবল দলে ঢোকার চেষ্টা করছি। আমরা সবাই ওই জয়ে প্রেরণা পেয়েছিলাম। ওটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের টার্নিং পয়েন্ট ছিল।

সবার কাছে পারফরম্যান্স চান। এর সাথে কলকাতার দর্শকদের সমর্থন পাওয়ার প্রসঙ্গে...

মাশরাফি: চাইবো যে সবাই পারফর্ম করুক। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তা সবসময় হয় না। মিডল অর্ডারে ব্যাট করা কঠিন। ভালো ব্যাপার হলো, তামিম চমৎকার খেলছে। আশা করি সৌম্যও (সরকার) রান পাবে। সবাই ভালো খেলুক। আশা করছি, কলকাতার দর্শকরা আমাদের ভালো সমর্থন দেবে।


মন্তব্য