kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাই

তামিমের অপরাজিত ৮৩, ডাচদের ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৬ ১৭:১৩



তামিমের অপরাজিত ৮৩, ডাচদের ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জ

চার বছর পর তামিম ইকবালের ব্যাট দেখা পেলো আন্তর্জাতিক ফিফটির। আর তাতে ধর্মশালায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইয়ের প্রথম ম্যাচে টাইগাররা ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের সামনে।

গ্রুপ 'এর খেলায় টস হেরে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান করেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। রান কিছুটা কমই হয়েছে। ৫৮ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৩ রানে অপরাজিত থেকেছেন তামিম। টি-টোয়েন্টিতে এটা বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চটি তামিমেরই অপরাজিত ৮৮।

বাংলাদেশের ইনিংসটি আসলে তামিমময়। শুরুতে হারিয়েছেন সঙ্গী সৌম্য সরকারকে (১৫)। সাব্বির রহমানের সাথে হয়েছিল ৪২ রানের জুটি। সাব্বিরও ব্যক্তিগত ১৫ রানে ফিরেছেন। তবে পুরো ইনিংসে দারুণ খেলেছেন তামিম। সিঙ্গেলস-ডাবলসে বাংলাদেশের বড় দুর্বলতা। এই ম্যাচে রানিং বিটুইন দ্য উইকেট হয়েছে ভালো। বিশ্বের অন্যতম সেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান (৫) এদিনও কিছু করতে পারলেন না।

এক প্রান্তে তামিম দেখেছেন উইকেটের পতন। তাতে তার ছন্দে কিছুটা পতন তো হয়েছেই। কিন্তু চার-ছক্কাগুলো মেরেছেন ডাচ বোলারদের কোনো সুযোগ না দিয়েই। ৩৬ বলে ৫০ করেছেন। শেষবার তামিম ফিফটি করেছিলেন ২০১২ সালে, ঢাকায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। মাঝে ২২ ইনিংসে একটিও ফিফটির দেখা পাননি দুই ফরম্যাটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক!

বাংলাদেশ বড় হোচট খেয়েছে ১৫তম ওভারে। ১৪ ওভার শেষ। বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ১০৯। তামিম ৬০ ও মাহমুদ উল্লাহ ৯ রানে ব্যাট করছেন। বাকি ৬ ওভারে নেদারল্যান্ডসের নাগালের বাইরে স্কোরটাকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ। কিন্তু পেসার ফন ডার গাগটেন ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড করে দিলেন দারুণ ফর্মে থাকা মাহমুদ উল্লাহেক (১০)। পঞ্চম বলে নতুন ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমও (০) বোল্ড! চার ইনিংস পর আউট হলেন মাহমুদ উল্লাহ। মুশফিকের দুর্দশা চলছেই। আর এখানেই বিপদে বাংলাদেশ।

নাসির হোসেন নভেম্বরের পর আবার সুযোগ পেলেন নিজেকে প্রমাণের। কিন্তু প্রমাণ করতে পারলেন কই! পেসার ফন মিকেরেনের বলে চমকে উঠে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন নাসির (৩)। ১৮ ওভারে ৬ উইকেটে ১২৯ রান। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এসে একটি ছক্কা হাকিয়ে বিদায় নিলেন ব্যক্তিগত ৭ রানে। শেষ ওভারের প্রথম বরে তামিম বল পাঠালেন গ্যালারিতে। পরের বলে ১ রান। দুই বল ডট। আরাফাত সানি মারলেন ছক্কা! পেরুলো ১৫০। শেষ ওভারে ১৫ রান। তাতে ডাচদের সামনে চ্যালেঞ্জটা আরো বড় করা গেছে। এখন বাংলাদেশের বোলারদের পালা। তিন পেসারের সাথে আছেন স্পিনার সানি।


মন্তব্য