বিপজ্জনক সেই নেদারল্যান্ডসের সামনে-333684 | খেলাধুলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০১৬। ১৭ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৯ জিলহজ ১৪৩৭


বিশ্ব টি-টোয়েন্টি

বিপজ্জনক সেই নেদারল্যান্ডসের সামনে বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৬ ২০:৫৬



বিপজ্জনক সেই নেদারল্যান্ডসের সামনে বাংলাদেশ

দুই বছর আগের ঘটনা। বিশ্ব টি-টোয়েন্টির চূড়ান্ত পর্বে খেলতে নেদারল্যান্ডসের সামনে ১৪.২ ওভারে ১৯০ রান করার টার্গেট দাঁড়ালো। প্রতিপক্ষ ছিল আয়ারল্যান্ড। দশ মিনিটের বিরতির সময় ডাচদের আশা কেউ দেখেনি। কিন্তু সেই তারাই ঘণ্টা খানেকের কিছু সময়ের পর সবাইকে ভুল প্রমাণিত করলো, তাক লাগিয়ে ছাড়লো। ১৩.৫ ওভারে টার্গেটে পৌঁছেছিল ডাচরা। সেই টুর্নামেন্টেই মূল পর্বে ডাচরা পরে ইংল্যান্ডকে ৪৫ রানে হারিয়ে দিয়েছিল। ওটা পূর্ণ সদস্য দলের সাথে শেষ খেলা ম্যাচ তাদের। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এই অতীত থেকে প্রেরণা নিতেই পারে নেদারল্যান্ডস। ইনফর্ম বাংলাদেশকে ধর্মশালায় বুধবার সামলাতে হবে প্রথম ম্যাচেই। গ্রুপ 'এ'র প্রথম খেলাটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একটু দেরিতে ধর্মশালায় পৌঁছেছেন। ৭ মার্চ সেখানে পৌঁছে মঙ্গলবার কেবল ঘণ্টা তিনেকের অনুশীলন করতে পেরেছেন। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার ফুট ওপরের ধর্মশালার সাথে মানিয়ে নেয়ার সময় হয়নি। ডাচরা সপ্তাহ খানেক কাটিয়ে ফেলেছে এই ভেন্যুতে। তারা তো এগিয়ে।

সহযোগী দেশের বিপক্ষে কি প্রমাণের আছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের! যখন তারা দুদিন আগেই হয়েছে এশিয়া কাপের রানার্স আপ। কেবল ভারতের সাথেই ফাইনালে পারলো না। তার আগে তো সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং এশিয়ার দুই পরাশক্তি শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে সামনে যে দলই পড়েছে তাদের জন্য বড় হুমকি হয়েছে টাইগাররা। কিন্তু ডাচরাই যে তাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে!

এখন পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসের সাথে ২টি ওয়ানডে ও ২টি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের। দুই দলের ৫০ শতাংশ করে সাফল্য দুই ফরম্যাটেই। ২০১২ সালে হেগে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারিয়েছিল ডাচরা। সেই সিরিজ ১-১ এ হয়েছিল ড্র।
অবশ্য নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক পিটার বোরেন এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশকে, "আমার চোখে বাংলাদেশ পরিস্কার ফেভারিট। তা অবশ্য আমাদের দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে না।"

মাশরাফির চিন্তা কন্ডিশন নিয়ে। উইকেটে বল ব্যাট আসবে। ইনফর্ম ব্যাটসম্যানরা খেলতে পারলেই হলো। কিন্তু এই উচুতে মানিয়ে নিতে কয়েক দিন সময় পাওয়া গেলে স্বস্তি হতো তার। তা যখন হয়নি তখন সেটা নিয়ে অতো ভেবে লাভ নেই। মাশরাফি এশিয়া কাপের আত্মবিশ্বাসে দলকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান, "আমরা সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানে চড়েছি। সন্ধা ৬টায় পৌঁছেছি। প্র্যাকটিসের কিংবা মানিয়ে নেবার তেমন সময় পাইনি। তবে আমার মনে হয় এশিয়া কাপের আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো।"

কাটার বিশেষজ্ঞ মুস্তাফিজুর রহমান খেলতে পারবেন না প্রথম ম্যাচে। বাংলাদেশ আবার চার পেসার খেলায় কি না সেটা দেখার বিষয়। স্পিনার আরাফাত সানির ফেরার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। মাশরাফির সাথে তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেনদের পেস অ্যাটাক দারুণ করছে। তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান, মাহমুদ উল্লাহ, মুশফিকুর রহিম- ব্যাটিং তালিকাটা সমীহ করার মতো। নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিংয়ে আছে স্টিফেন মাইবার্গ, কুপার ভাইয়েরা। শেষ সময়ে যোগ দিয়েছেন অভিজ্ঞ টম কুপার। আর অধিনায়ক বোরেনই নেতৃত্ব দেবেন পেস আক্রমণের। এই ম্যাচটা দুই দলের পেস আক্রমণের লড়াইয়ের মতোও বটে।

 

মন্তব্য