kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ২০৪

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৬ ২০:১৭



অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ২০৪

ঝড় তুলেছিলেন কুইন্টন ডি কক। অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির ব্যাটে দেখা গেলো বিস্ফোরণ।

ডেভিড মিলারও দ্রুত এক কার্যকর ইনিংস খেলেছেন। তাতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কক ২৮ বলে করেছেন ৪৪ রান। ডু প্লেসিস ৪১ বলে ৭৯ রান করেছেন। ১৮ বলে ৩৩ রান মিলারের। প্রোটিয়ারা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে তুলেছে ২০৪ রান। জোহানেসবার্গের এই খেলায় জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই অস্ট্রেলিয়াকে তিন ম্যাচের সিরিজ হারাবে স্বাগতিকরা।

এবি ডি ভিলিয়ার্সকে (১৩) দ্বিতীয় ওভারে তুলে নিতে পেরেছেন জন হাস্টিংস। তার ব্যাটে ছিল ঝড়ের আভাস। এরপর ৬২ রানের জুটি গড়ে তোলেন কক ও ডু প্লেসিস। ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় চমৎকার ইনিংস খেলে ফিরেছেন কক। তবে অন্য প্রান্তে উইকেট পড়লেও শেষ ওভার পর্যন্ত থেকেছেন ডু প্লেসিস।

আদর্শ এক ক্যাপ্টেন্স নক খেলেছেন ডু প্লেসিস। ২০তম ওভারের পঞ্চম বলে আউট হয়েছেন। কিন্তু ওই ওভারে হাস্টিংসের প্রথম চার বল (৪+৬+৬+৪) থেকে নিয়েছেন ২০ রান। শেষ বলে ছক্কা মেরেছেন ডেভিড উইজে (১০*)। তাতে দলের রান পেরিয়েছে দুশোর কোটা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটা দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয়বার দুশো রান করা ইনিংস। এর আগে ২০০৬ সালে ২০১ রান করে জিতেছিল প্রোটিয়ারাই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০৪ তাদের সর্বোচ্চ। ডু প্লেসিস ৫টি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন।

কক ও ডু প্লেসিসের কারণে ডেভিড মিলারকে ভুলে গেলে চলবে না। আগের ম্যাচে অপরাজিত ফিফটি করে জিতিয়েছিলেন। এই ম্যাচে ১১ থেকে ১৫তম ওভার পর্যন্ত ব্যাট করেছেন। ডু প্লেসিসের সাথে চতুর্থ উইকেটে দলকে দিয়েছেন ৩৯ রান। এর ৩৩ রান এসেছে মিলারের খেলা ১৮ বলেই। ৪ ওভারে ৫০ রান দিয়েছেন জস হ্যাজলউড, ২ উইকেট নিলেও ৪২ রান দিয়েছেন হাস্টিংস। জেমস ফকনার ২৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। কিন্তু বোলাররা ঠেকাতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের।     


মন্তব্য