বাংলাদেশ-ভারত বৈরিতার খণ্ডচিত্র-332763 | খেলাধুলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


বাংলাদেশ-ভারত বৈরিতার খণ্ডচিত্র

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৬ ১১:৫৭



বাংলাদেশ-ভারত বৈরিতার খণ্ডচিত্র

বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ ২০১৫ বিশ্বকাপের সেই নো বল কাণ্ডের পরে নতুন মাত্রা পেয়েছে। এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে এমনই কিছু বৈরিতার খণ্ডচিত্রের দিকে নজর দেওয়া যাক।
 
শেবাগের অর্ডিনারি বাংলাদেশ
২০১০ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতের ওপেনার বিরেন্দর শেবাগ সংবাদ সম্মেলনে বলেন বাংলাদেশ অতি সাধারণ দল। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আমাদের হারাতে পারবে না কারণ আমাদের ২০ উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা নেই। জবাবে সেই সময় বাংলাদেশ কোচ জেমি সিডন্স বলেছিলেন, শেবাগের মাইক থেকে দূরে থাকা উচিত।
 
মেলবোর্নের সেই নো বল
মার্চ ২০১৫, মেলবোর্নে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেই রোহিত শর্মার আউট হওয়ার পরে আলিম দার নো বল দেওয়ার পরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলাদেশি সমর্থকরা। একই ম্যাচে মাহমুদুল্লাহর আউট নিয়ে সন্দেহর সৃষ্টি হয়। সেই ম্যাচের পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর প্রতিবাদে মিছিল পর্যন্ত হয়। বলা হয়, ভারত এবং আম্পায়ার মিলে বাংলাদেশকে হারিয়েছে। সেই সময়ে আইসিসি প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের আ হ ম মুস্তফা কামাল হুমকি দেন, ঘটনার প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করবেন। ক্ষুব্ধ অধিনায়ক মাশরাফি বলেন, যা হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে। আমি আর কী বলব?

মুম্তাফিজকে ধোনির ধাক্কা ও মওকা মওকা
জুন ২০১৫তে ভারতের বাংলাদেশ সফরের শুরু থেকেই যুদ্ধের মেজাজে ছিল বাংলাদেশি সমর্থকরা। ভারতীয়দের ব্যাঙ্গ করে ভিডিও ছাড়া হয়, ধোনিদের সিরিজ হারিয়ে গ্যালারিতে টিটকিরি, মওকা মওকা। বিশ্বকাপের সময় যা ভারতের প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রথম ওয়ান ডে থেকেই উত্তেজনা চরমে ছিল। যখন রান নিতে গিয়ে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা মেরে বসেন ধোনি। ভারত অধিনায়কের ৭৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা হয়। মুস্তাফিজুরের ৫০ শতাংশ।

 

মন্তব্য