kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এশিয়া কাপ

আমিরাতকে উড়িয়ে দিলো ভারত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ২২:১৭



আমিরাতকে উড়িয়ে দিলো ভারত

আগের তিন ম্যাচে লড়তে পেরেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি হলো একেবারেই একপেশে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এই খেলায় কোনো উত্তেজনার খোঁজ মিললো না। প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে ৯ উইকেটে জিতলো আগেই ফাইনালে উঠে যাওয়া ভারত। আমিরাত ৯ উইকেটে করেছিল ৮১ রান। সেটা পার হতে ১০.১ ওভার খেলতে হলো ভারতকে। বলের হিসেবে সর্বোচ্চ জয় এটা ভারতের। আর এবারের এশিয়া কাপের সবচেয়ে কম দৈর্ঘ্যের ম্যাচ।

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এটা ছিল সর্বনিম্ন স্কোর। রোহিত শর্মা যেভাবে খেলছিলেন তাতে মনে হয়েছিল সর্বোচ্চ ব্যবধানেই জিতবে ভারত। অন্য ওপেনার শিখর ধাওয়ান যেন রোহিতের খেলা দেখছিলেন! তবে ৪৩ রানের সময় ম্যান অব দ্য ম্যাচ রোহিতকে হারাতে হয়েছে। এই ওপেনার ২৮ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় করেছেন ৩৯ রান। এরপর বিরাট কোহলিকে না পাঠিয়ে অভিজ্ঞ যুবরাজ সিংকে আরেকটি ব্যাটিং প্র্যাকটিসের সুযোগ দিয়েছে ভারত। তিনি আর ধাওয়ান মিলে সহজেই জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন দলকে। ১৪ বলে ২৫ রানে অপরাজিত যুবরাজ। ধাওয়ান ২০ বলে ১৬ রানে অপরাজিত।

এবার আমিরাতের ব্যাটিংয়ের প্রথম ১০ ওভারের হিসেবটা নেয়া যাক। এর ৪টি মেডেন। রান এসেছে ৩২। উইকেট পড়েছে ৩টি। চতুর্থ ওভারে দলের ২ রানেই তারা হারায় ২ উইকেট। এই ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন এনেছে ভারত। বাঁ হাতি স্পিনার পবন নেগির আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে। পেসার ভুবনেশ্বর কুমার ও অফ স্পিনার হরভজন সিং টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তা ভুবনেশ্বর নতুন বলে নিজের প্রথম দুই ওভার মেডেন দিলেন। একটি উইকেটও নিলেন।

শাইমান আনোয়ারের ওপর ভর করে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে আমিরাত। ওপেনার রোহান মুস্তাফা (১১) হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হয়েছেন। এরপর ২৬ রানের একটা জুটি হলো। এবং ২ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারালো আমিরাত। তখন চলে ১৪ ওভার। শাইমান আনোয়ার এক প্রান্ত আগলে টিকে ছিলেন স্রোতের প্রতিকূলে। জসপ্রিত বুমরাহকে তার মাথার ওপর দিয়ে ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটিও মারলেন। শাইমান ছাড়া দুই অঙ্কে মাত্র আর একজন যেতে পেরেছেন। সেটি ১১ রান। শেষ ওভারে স্ট্রাইক পেতে গিয়ে শাইমান রান আউট হয়েছেন। ৪৮ বলে ৪৩ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। ৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর। সবচেয়ে কিপ্টে বোলিং। একটি করে উইকেট বুমরাহ, পান্ডিয়া, হরভজন, নেগি ও যুবরাজ সিংয়ের। বোলাররা পথটা সহজ করে দিয়েছিলেন। ব্যাটসম্যানদের বেগ পেতে হয়নি সহজ জয় তুলে নিতে।  


মন্তব্য