মার্টিন ক্রোর চলে যাওয়ার দিনে ঢাকার-331798 | খেলাধুলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


মার্টিন ক্রোর চলে যাওয়ার দিনে ঢাকার মাঠে বড় ভাই জেফ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ২০:০৮



মার্টিন ক্রোর চলে যাওয়ার দিনে ঢাকার মাঠে বড় ভাই জেফ

এশিয়া কাপের ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচে শ্রদ্ধা জানানো হলো মার্টিন ক্রোকে। ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর নিউজিল্যান্ডের এই কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান বৃহস্পতিবার পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর আগে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হলো তার জন্য। এরপরই মার্টিন ক্রোর বড় ভাই জেফ ক্রোকে দেখা গেল, দর্শকদের সমবেদনার জবাব দিতে হাত নাড়ছেন। আম্পায়ারদের সাথে হাত মেলাচ্ছেন। জেফ ক্রো চলমান এশিয়া কাপে আইসিসির ম্যাচ রেফারি। ছোটো ভাইয়ের মৃত্যুতেও দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাননি।

মার্টিনের চেয়ে চার বছরের বড় জেফ। ৫৩ বছর বয়সে চলে গেলেন মার্টিন। দুজনেই দেশের হয়ে খেলেছেন। বড় হলেও ছোটো ভাইয়ের এক সপ্তাহ পর টেস্ট অভিষেক হয়েছিল জেফের। দুজনেই টেস্ট, ওয়ানডে ও বিশ্বকাপ খেলেছেন। জেফ খেলেছেন ৩৯টি টেস্ট ও ৭৫টি ওয়ানডে।  

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই ভাই একই সাথে ব্যাট করেছেন। যখন ক্রিকেটে রঙ্গীন পোষাক আসেনি, পিঠে নাম লেখা শুরু হয়নি তখন এক সাথে ব্যাট করার সময় দর্শকদের সাথে মজা করতেন দুজন! দেখতে, গড়নে প্রায় একই রকম ছিলেন। দর্শকরা মাঝে মাঝে বুঝতে পারতো না কোনটা জেফ আর কোনটা মার্টিন। দুজন মজাটা বাড়িয়ে নিতে খেলার মাঝেই একে অন্যের সাথে হেলমেট বদলে নিতেন। মাঠেও এমন আমুদে ছিলেন দুজন।

জেফ হয়তো মার্টিনের মতো অতো বড় পর্যায়ের ব্যাটসম্যান ছিলেন না। তবে দুজনেই খেলার পরিবেশ ও পরিবারে মানুষ হয়েছেন। খেলার সাথেই সারাজীবন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জেফ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে দারুণ শ্রদ্ধার জায়গা আদায় করে নেয়া একজন ম্যাচ রেফারি। আইসিসির এলিট প্যানেলে আছেন। ২০০৪ থেকে ম্যাচ পরিচালনা করছেন। এখন পর্যন্ত ৩৬৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তার চেয়ে বেশি ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড আছে মাত্র দুজনার। একজন রঞ্জন মাদুগালে (৫৪২), অন্যজন ক্রিস ব্রড (৪০৮)।

মন্তব্য