মাহমুদুল্লা যেন ২০১২'র শোধ নিলেন! -331439 | খেলাধুলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


মাহমুদুল্লা যেন ২০১২'র শোধ নিলেন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ২৩:৩২



মাহমুদুল্লা যেন ২০১২'র শোধ নিলেন!

জয়সূচক রান এনে দিয়ে লাফাতে গিয়ে মাটিতেই লুটিয়ে পড়লেন মাহমুদুল্লা। তার আগে ১৯তম ওভারের শেষটায় এক বাউন্ডারি মেরে মাহমুদুল্লা যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তাতে মনে হয়েছে ম্যাচটা ওখানেই জিতে গেছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত শেষ ওভারের প্রথম বলে মাহমুদুল্লা বাউন্ডারি মেরে খেলা শেষ করেছেন। ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ উইনিং পারফরম্যান্সই করেছেন। দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে গেছে বাংলাদেশ। মাহমুদুল্লার মনে ছিল ২০১২। এশিয়া কাপের ফাইনাল। এবারের মতো সেটিও ছিল মার্চের এক দিন। পাকিস্তানই একটুর জন্য শিরোপা জিততে দেয়নি বাংলাদেশকে। অপরাজিত থেকে কষ্টে ডুবেছিলেন মাহমুদুল্লা। তাই এই ম্যাচ নিয়ে তার আবেগটা এতো বেশি।

"আমার মনে ২০১২ সালের ফাইনালটি ছিল। এই জয় আমাদের সেটি ভুলতে সাহায্য করবে।" ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার পর মাহমুদুল্লা বলেছেন, "ওপরের দিকে সৌম্য দারুণ খেলেছে। আমি শেষ পর্যন্ত খেলতে চেয়েছিলাম। জানতাম আমির ও সামি আসবে।" সামি ২টি নো বল করেছেন ১৯তম ওভারে। ওই ওভারে এসেছে ১৫ রান। জয়টা মূলত নিশ্চিত হয়েছে ওখানেই। তার আগের ওভারে মোহাম্মদ আমির দিয়েচেন ৮ রান।

২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনাল বাংলাদেশের জন্য বুক ভাঙ্গা এক স্মৃতি। এখনো এই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ভাসে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে কান্না। এই মিরপুরের মাঠেই তো সেদিন পাকিস্তান ২ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। ওটা ছিল ওয়ানডে ম্যাচ। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। মাহমুদুল্লা ৪ রান নিতে পেরেছিলেন। ২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ১৭ রানে অপরাজিত থেকে সেই বুকভাঙ্গার কষ্ট এতদিন বয়ে বেড়িয়েছেন মাহমুদুল্লা। এবারও মাহমুদুল্লা অপরাজিত থাকলেন। তবে পাকিস্তানকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দিয়ে নির্মম প্রতিশোধই নিলেন। বাংলাদেশকে তুলে দিলেন ফাইনালে। মাহমুদুল্লার জন্য এটা অনেক আবেগের এবং দুঃস্মৃতি ভোলার ম্যাচই তো ছিল! 

মন্তব্য