১৩০ রান করলেই স্বপ্নের ফাইনালে-331380 | খেলাধুলা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


এশিয়া কাপ

১৩০ রান করলেই স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ২১:০৯



১৩০ রান করলেই স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের ফাইনাল হাতছানি দিয়ে ডাকছে বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩০ রান করলেই টাইগাররা চলে যাবে স্বপ্নের ফাইনালে। দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তানকে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৯ রানে আটকে দিয়েছে স্বাগতিকরা। টাইগার ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব এখন দলকে অসাধারণ এক জয় এনে দেয়া। বোলারদের আক্রমণে শুরুতেই বিপর্যস্ত পাকিস্তান পরে সরফরাজ আহমেদের অপরাজিত ৫৮ ও শোয়েব মালিকের ৪১ রানে লড়ার মতো স্কোর গড়েছে। টি-টোয়েন্টিতে এটা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সর্বনিম্ন স্কোর।

গত বছর এই মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই পাকিস্তানের দেয়া ১৪২ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে ওটাই পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের একমাত্র জয়। তবে বরাবরের মতো এখনও পাকিস্তানের বোলিং ভালো। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১১ সালে ১৩৫ রান করেও জিতেছিল তারা।  

ব্রেক থ্রু এনে দিতে জানেন আল-আমিন হোসেন! ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে এই পেসার নিজের প্রথম বলেই তুলে নিয়েছেন খুররম মাঞ্জুরের (১) উইকেট! উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন তিনি। ১ রানেই ১ উইকেট নেই পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয়বার প্রথম ওভারেই উইকেট পেলেন আল-আমিন। বাঁ হাতি স্পিনার আরাফাত সানি এই টুর্নামেন্টে আজই প্রথম সুযোগ পেয়েছেন। আর আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন নিজের পঞ্চম বলে শারজিল খানকে (১০) পরিস্কার বোল্ড করে। আল-আমিনকে একটি ছক্কা মারার পর সানিকে একটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন শারজিল। পঞ্চম ওভারে নিজেই বল হাতে নেন মাশরাফি। পঞ্চম বলে মোহাম্মদ হাফিজ (২) হয়ে যান এলবিডাব্লিউর শিকার। ১৮ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ২০ রান পাকিস্তানের। প্রতিপক্ষকে টাইগার বোলাররা দারুণভাবে চেপে ধরেছিলেন। পুরোই ব্যাটিং উইকেটে খেলা। কিন্তু দারুণ বুদ্ধিমত্তায় বোলিং পরিবর্তন করে যাচ্ছিলেন মাশরাফি। বোলাররাও আত্মবিশ্বাসী বোলিং করছিলেন। নবম ওভারে চতুর্থ উইকেট পায় টাইগাররা। তাসকিন আহমেদকে তুলে মারতে গেলেন উমর আকমল (৪)। ক্যাচটা সহজেই নিলেন সাকিব আল হাসান। ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে আরো চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর শোয়েব ও সরফরাজ উইকেট পতন ঠেকিয়েছেন।

১৩ ওভারে পাকিস্তানের রান ছিল ৪ উইকেটে ৫৪। এরপর প্রতি ওভারে দুই অঙ্কের রান উঠছিল। তবে ১৭তম ওভারে শোয়েব-সরফরাজের ৭০ রানের জুটি ভেঙ্গেছেন সানি। সাব্বির রহমান শোয়েবের (৪১) ক্যাচ নিয়েছেন। পরের ওভারে আল-আমিন পাকিস্তান অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদিকে (০) তুলে নিলে আবার বাংলাদেশ চাপ ধরে রাখতে পেরেছে। অবশ্য সরফরাজ টিকে থাকায় শেষ ৭ ওভারে ৭৫ রান তুলেছে পাকিস্তান। আল-আমিন ২৫ রানে ৩, সানি ৩৫ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। মাশরাফি ২৯ ও তাসকিন ১৪ রানে ১টি করে উইকেটে পেয়েছেন।    

এই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলে কোনো হিসেব নিকেশের অপেক্ষায় আর থাকতে হবে না। টাইগাররা ৬ মার্চের ফাইনালে খেলবে ভারতের সাথে। তবে বাংলাদেশ হারলেও ফাইনালে খেলার আশা থাকবে। এই ম্যাচ জিতে শ্রীলঙ্কাকেও হারালে ফাইনালে যাবে পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তান এই ম্যাচ জিতলে এবং শ্রীলঙ্কার কাছে হারলে তখন সামনে চলে আসবে নেট রান রেট। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যে যে দল এগিয়ে থাকবে তারা উঠবে ফাইনালে।

মন্তব্য