kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এশিয়া কাপ

লঙ্কান বোলারদের সাথে ভারতের ব্যাটসম্যানদের লড়াই চলছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৬ ২২:১৬



লঙ্কান বোলারদের সাথে ভারতের ব্যাটসম্যানদের লড়াই চলছে

শ্রীলঙ্কাকে হারালেই এশিয়া কাপের ফাইনালে চলে যাবে ভারত। ৯ উইকেটে ১৩৮ রান করেও লড়ছে লঙ্কানরা।

ম্যাচটা হারলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ফাইনালে খেলা অনিশ্চিত হয়ে যাবে। হাল ছাড়ছেন না তাদের বোলাররা। বিরাট কোহলি ও সুরেশ রায়নার জুটিটা ভোগাচ্ছিল। সেটা ভাঙ্গা গেছে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ১২ ওভারের খেলা শেষে ভারতের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭৭ রান। কোহলি ৩১ ও যুবরাজ সিং ৪ রানে ব্যাট করছেন। জিততে ৪৮ বলে ৬২ রান দরকার ভারতের।  

যে পুঁজি ব্যাটসম্যানরা দিয়েছেন তা নিয়ে ভারতের দুর্দান্ত ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে লড়া কঠিন। কিন্তু লড়াইটা যখন অস্তিত্বের তখন লঙ্কান বোলারদের চ্যালেঞ্জটা নিতেই হয়। পেসার নুয়ান কুলাসেকারা দ্বিতীয় ও চতুর্থ ওভারে আঘাত হেনেছেন। প্রথমে শিখর ধাওয়ান (১) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। এরপর রোহিত শর্মা (১৫) ধরা পড়েছেন স্লিপে। ১৬ রানে ২ উইকেট হারানো আর্দশ কিছু না। ভারতীয়দের আরো সতর্ক হতে হয়।

এই চাপে পড়ে ১০ ওভারে রান ৬৬। আস্কিং রান রেটের নিচে এই সংগ্রহ। কোহলি ও রায়না সেট হয়েছেন। এই ভারতীয় দল যখন বাউন্ডারি পায় না তখনো স্ট্রাইক রোটেট করে রানের গতিটা দারুণভাবে ধরে রাখে। তাই করছিলেন এই দুজন। কিন্তু ৫৪ রানের জুটি গড়ার পর রায়না (২৫) ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন।     
 

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে শ্রীলঙ্কা। আগের দুই ম্যাচে সফল ছিলেন দিনেশ চান্দিমাল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে মাত্র ৪ রান করেই আশিস নেহরার শিকার হয়েছেন ম্যাচের তৃতীয় ওভারে। লঙ্কানদের টপ অর্ডার ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারছে না। ভিন্ন অ্যাকশনের জসপ্রিত বুমরাহের বলে এমএস ধোনিকে ক্যাচ দিয়েছেন শিহান জয়াসুরিয়া (৩)। তিলকারত্নে দিলশানকে ভালোই লাগছিল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন এই ম্যাচে। কিন্তু মিডিয়াম পেসার হার্দিক পান্ডিয়া ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই অভিজ্ঞ দিলশানকে (১৮) তুলে নিয়েছেন।

৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। পরের আঘাতটিও পান্ডিয়ার। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও চামারা কাপুগেদারা ২৬ রানের জুটি গড়ে ধ্বসের মুখে বাধ দিয়েছিলেন। ম্যাথুস (১৮) দুটি বাউন্ডারি মেরে দিয়েছিলেন পান্ডিয়াকে। ওভারের শেষ বলে ম্যাথুসকে বোল্ড করে দিয়েছেন পান্ডিয়া।

কাপুগেদারা ও মিলিন্দা সিরিওয়ার্দানে এরপর আশা জাগালেন। দলকে নিয়ে গেলেন ১০০ পর্যন্ত। ১৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ৪ উইকেটে ১০০। কিন্তু পরের ৮ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে লঙ্কানরা। সিরিওয়ার্দানে (২২), কাপুগেদারা (৩০) ফিরে গেলে থিসারা পেরেরা হামলা করলেন। ৬ বলে ১৭ রান করে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফিরলেন। যদিও আম্পায়ার ভুল করেছেন। আউট ছিলেন না পেরেরা। তবে এসবের যোগফলে যা হলো তাতে ভারতের দুর্দান্ত ব্যাটিং লাইন আপের সাথে লড়ার মতো পুঁজি পেলো না শ্রীলঙ্কা। তবু বাঁচা মরার লড়াইয়ে লঙ্কান বোলাররা কি করেন তা তো দেখার বাকি।


মন্তব্য