kalerkantho


আর কিসের হাহাকার

আহমাদ মোস্তফা কামাল

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আর কিসের হাহাকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জীবনানন্দ দাশ, সুকান্ত ভট্টাচার্য

‘ধূসর সন্ধ্যায় বাইরে আসি

বাতাসে ফুলের গন্ধ;

বাতাসে ফুলের গন্ধ,

আর কিসের হাহাকার।’

(একটি রাত্রের সুর, সমর সেন)

সামান্য কয়েকটি শব্দ-বাক্য! সন্ধ্যা ধূসর হতেই পারে, সেই ধূসর সন্ধ্যায় কেউ বাইরে যেতেই পারে, ফুলের গন্ধও পেতে পারে—এমন কোনো বিশেষ ঘটনা নয় কোনোটিই। কিন্তু যখন দুবার একই কথা বলে শেষে কেউ বলে উঠবে—‘আর কিসের হাহাকার’—তখনই এটা বিশেষ হয়ে উঠবে। এবং ব্যাপারটা ঘটে এভাবে : ধূসর এক সন্ধ্যায় আপনি বাইরে বেরোলেন, ফুলের গন্ধ পেলেন, পেয়ে একটু থামলেন, যেন একটু দম নিলেন, কারণ আরো কিছুর আভাস যেন পাচ্ছেন সঙ্গে, এই থামার ব্যাপারটি বোঝাবার জন্য ব্যবহূত হলো একটি সেমিকোলন, তারপর আবার বললেন কথাটি, তবে এবার একটি কমা দিয়ে, কারণ এরপর আপনি আরেকটি কথা বলবেন, ওই যে কী যেন একটা কিছুর আভাস পাচ্ছিলেন এবার তার পরিচয় পেয়েছেন, ওটা ‘হাহাকার!’ কিসের হাহাকার, তা আর বলার প্রয়োজন নেই। কারণ বাক্যটি বলার সঙ্গে সঙ্গে হাহাকারটি যে পৌঁছে গেছে শ্রোতার কাছেও, তার হূদয়জুড়েও যে এখন হাহাকার!

কী করে কবিরা রচনা করেন এ ধরনের অসামান্য পঙিক্তমালা? কী করে ধরে রাখেন মানুষের সব গোপন-গভীর হাহাকার, বিষাদ, বিষণ্নতা, নিমগ্নতা আর বিপন্নতা, কয়েকটি পঙিক্তর ভেতরে? কবিরা যে ছোট্ট পরিসরে বিপুল দীর্ঘশ্বাস ধরে রাখতে পারেন, সে কথা লিখেছিলাম আমার ‘সেই অপরূপ নির্জনতা’ গদ্যটিতে। কিন্তু কেন বলেছি দীর্ঘশ্বাসের কথা? দীর্ঘশ্বাস কি মূল্যবান কিছু? হ্যাঁ, অবশ্যই। জীবনের অগুনতি শ্বাস-প্রশ্বাসের ভেতরে অল্প কয়েকটি মাত্র দীর্ঘশ্বাস, আর দীর্ঘশ্বাসের ভেতরেই মেশানো থাকে মানুষের পরাজয় ও বেদনার চিহ্ন। প্রতিটি মানুষই জানে যে বেদনা আর পরাজয়ই মৌলিক তার জীবনে। সুখ, আনন্দ আর বিজয়ের জন্য দারুণ চেষ্টা করে যেতে হয় মানুষকে; অথচ দুঃখ, বেদনা আর পরাজয় আসে অনায়াসে, বিনা চেষ্টায়, না চাইলেও। এবং স্বল্প পরিসরে মানুষের এই দীর্ঘশ্বাসগুলোর সুদীর্ঘ ইতিহাস ধারণ করতে সক্ষম বলেই সংগীত আর কবিতা হয়ে উঠেছে ফাইনেস্ট আর্টফর্ম। আর মানুষ তো লেখে তার দীর্ঘশ্বাসকে ধরে রাখার জন্যই। এবং এ কারণেই সেই সব কবিতা আমাদের মনে থাকে, সেই সব গান আমাদের হূদয় দখল করে রাখে, সেই সব সুর আমাদের ছেড়ে যায় না, সেই সব গল্প আমরা কারণে-অকারণে স্মরণ করি, যা আমাদের বিষাদগ্রস্ত করে, আমাদের বিষণ্ন করে দেয়, আমাদের বেদনাহত করে তোলে।

আরেকটি উদাহরণ দিই। কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের : 

‘দ্বারে মৃত্যু,

বনে বনে লেগেছে জোয়ার,

পিছনে কি পথ নেই আর?

আমাদের এই পলায়ন

জেনেছে মরণ,

অনুগামী ধূর্ত পিছে পিছে,

প্রস্থানের চেষ্টা হলো মিছে।’(দুরাশার মৃত্যু)

বিদ্রোহী-বিপ্লবী ইমেজে বন্দি এক কবির নাম সুকান্ত ভট্টাচার্য। তাঁর বহু কবিতার পঙিক্ত আন্দোলন-সংগ্রামে, বিদ্রোহ-বিপ্লবে স্লোগান হয়ে মুখে মুখে ফেরে। মাত্র একুশ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া এই কবির অন্য কোনো পরিচয় আমাদের চোখেই পড়ে না; কিন্তু এই কবিতাটি পড়ে কি অন্য এক সুকান্তকে দেখতে পাই না আমরা? এবং আমাদের মনেও কি এই হাহাকার জেগে ওঠে না যে দ্বারে যখন মৃত্যু উপস্থিত, তখন পালাতে চাইলেও পারা যায় না? মৃত্যুও ধূর্তর মতো অনুগামী হয় পিছে পিছে! সুকান্তর তুলনামূলকভাবে কম পঠিত ও স্বল্প আলোচিত আরেকটি কবিতার কথা বলি। এই কবিতায়ও আমাদের পরিচিত সুকান্তর দেখা মেলে না, বরং খানিকটা বিষণ্ন, রহস্যময়, রোমান্টিক এক কবির সঙ্গে পরিচিত হই আমরা। কবিতাটি দীর্ঘ, কিছু পঙিক্তর উদ্ধৃতি দিচ্ছি—‘আজ রাতে যদি শ্রাবণের মেঘ হঠাত্ ফিরিয়া যায়/তবুও পড়িবে মনে/চঞ্চল হাওয়া যদি ফেরে কভু হূদয়ের আঙিনায়/রজনীগন্ধা বনে,/হয়তো পড়িবে মনে।

...

বাসরঘরের প্রভাতের মতো স্বপ্ন মিলায় যদি/বিনিদ্র কলরবে/তবুও পথের শেষ সীমাটুকু চিরকাল নিরবধি/পার হয়ে যেতে হবে/বিনিদ্র কলরবে।

...

নির্জন পথে হঠাত্ হাওয়ার আসক্তিহীন মায়া/ধূলিরে উড়ায় দূরে/আমার বিবাগী মনের কোণেতে কিসের গোপন ছায়া/নিঃশ্বাস ফেলে সুরে;/ধূলিরে উড়ায় দূরে।/বিরহিনী তারা আঁধারের বুকে সূর্যেরে কভু হায়/দেখেনিকো কোনো ক্ষণে।/আজ রাতে যদি শ্রাবণের মেঘ হঠাত্ ফিরিয়া যায়/হয়তো পড়িবে মনে/রজনীগন্ধা বনে।’/(স্মারক, সুকান্ত ভট্টাচার্য)

যদিও বা এই রাত উত্সবহীন, যদিও বা মদিরাপাত্র শূন্য-শুষ্ক, যদিও বা ‘বাসরঘরের প্রভাতের মতো স্বপ্ন মিলিয়ে যায়’ যদিও বা ‘আজ রাতে শ্রাবণের মেঘ হঠাত্’ ফিরে যায়... তবু আশা ওটুকুই— ‘হয়তো’ মনে পড়বে! আমাকে তার, অথবা তাকে আমার! এ-ও এক বিষাদময় কবিতা। একবার এই কবিতা যিনি পড়বেন, তিনি নিশ্চিতভাবেই ওই বিপ্লবী-ইমেজবন্দি কবিকে নতুন করে চিনতে চাইবেন, অনুভব করবেন তাঁর এই নিমগ্ন-বিষণ্ন পঙিক্তমালার সঙ্গে আমাদেরও কী দারুণ সখ্য গড়ে উঠেছে! পাঠকের হূদয়ের কাছাকাছি পৌঁছতে চাইলে সব কবিকেই এ রকম কবিতা লিখতে হয়।

কিন্তু কেনই বা আমরা, মানে পাঠকরা, এমন বিষাদগ্রস্ত কবিতা ভালোবাসি? তার কারণ কি এই যে আমরা নানা রকম বিপন্নতার ভেতরে জীবন কাটিয়ে দিই, শঙ্খ ঘোষ যাকে বলেন প্রহার বা ক্রোধ, যার বেশির ভাগই রয়ে যায় অকথিত-অপ্রকাশিত; বিষাদ ও বিষণ্ন পঙিক্তগুলো আমাদের সেই অকথিত অনুভূতিকে ভাষা দেয়, সুর দেয়, বাঙ্ময় করে তোলে! আমার এ রকমও মনে হয় যে বেদনা-বিষণ্নতা ও বিষাদের প্রকাশ এক অর্থে জীবনকে প্রীতিকর করে তোলারই প্রয়াস। কারণ ওগুলো জমিয়ে রেখে, বুক ভারী করে রেখে ভালো থাকা যায় না তো! যদি কোনো উপলক্ষে সেগুলো বেরিয়ে পড়ে, যদি অশ্রুভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে চোখ, আর্দ্র হয়ে ওঠে হূদয়, আমরা শুভ্র হয়ে উঠি, শুদ্ধ হয়ে উঠি। সংগীত ও কবিতা হয়তো আমাদের সহায়তা করে সেটি করতে। শঙ্খ ঘোষ বলেন তাঁর ‘শব্দ থেকে পালানো’ রচনায়—‘প্রবল প্রহারের উত্তেজনার মধ্যে আমাদের জীবন। একদিকে হাতে রাখি চাঁদের শিলা, অন্যদিকে বরফ জমা শীতের মাঠে প্রতিবাদরত মেয়েদের ওপর মুদ্গর তোলে গণতন্ত্রী পুলিশ, বর্ণের কারণে, ধর্মের কারণে এদেশে-ওদেশে জীবন হয় জামিন, ফুটপাতে ফুটপাতে জ্যোতিষীর নিয়তিরেখা রাতারাতি পাল্টে যায় নিষিদ্ধ ইশতেহারে, উজ্জ্বল মেধাবী যুবাদের মাথা থেকে কবজি পর্যন্ত তৈরি হতে থাকে সামর্থ্যের সংযোগ। বিশাল এই সময়কে তুলে আনার জন্যই মিশ্রশিল্পের আয়োজন আজ, কিন্তু নিছক শব্দও কি জানে না তাকে ছুঁতে?’

মিশ্রশিল্প, মানে শিল্পের বিবিধ শাখার জটিল মিশ্রণ, আজকাল অনেকে যাকে ফিউশন বলে ডাকেন, তিনি হয়তো তারই কথা বলেছিলেন বহুকাল আগে এবং প্রশ্ন তুলেছিলেন শুধু শব্দ দিয়েই কি এই অস্থিরতা, এই বিপন্নতাকে স্পর্শ করা যায় না? হ্যাঁ, যায় তো! কিভাবে যায়? সে কথা বলার আগে তিনি বলে নেন শব্দের বাহুল্য ব্যবহার, অযাচিত ব্যবহার, অপরিণামদর্শী ব্যবহারের কথা, যা শুধু কোলাহল তৈরি করে, স্বস্তি আনার পরিবর্তে অস্থিরতা দেয় বাড়িয়ে—

‘আমাদের জীবনযাপনকে ঘিরে ধরছে পঙ্গপালের মতো শব্দাবলি, কিন্তু ক্রমে টের পাই যে অল্পে অল্পে তার পরিবহন গেছে নষ্ট হয়ে। নিষ্ফলা কথায় দিন কাটে দ্রুত, রাত্রে ঘরে ফিরে দেখি তাতে সঞ্চয় ঘটেনি কিছু। অভ্যাসবশে কথা বলা আর মিথ্যা বলার এই সমূহ সর্বনাশ শিল্পেও তার চিহ্ন রেখে যায়, কবিতার অবয়বও হয়ে ওঠে কলরোলময়, বার্তাবিহীন, অভ্যাসতাড়িত। যেমন দেখা হলেই ‘ভালো তো’ বলে পরস্পরের আলংকারিক মাথা নাড়ানো আপনিই এসে যায়, বাংলা কবিতায় আজ পয়ার-পঙিক্ত প্রায় ততটাই অনিবার্য মিথ্যা নিয়ে জুটে যায় কলমের মুখে, বেঁচে থাকার সঙ্গে রচনার সামঞ্জস্যের কোনো প্রয়োজন ঘটে না আর।’

না, এভাবে হবে না। শব্দের এই যথেচ্ছ ব্যবহার, এই কোলাহলময় পঙিক্তমালা দিয়ে হবে না। কিভাবে হবে? তা-ও বলেন তিনি এক অনবদ্য ভঙ্গিতে—

‘আসলে, যাকে বাইরে দেখি প্রহার বা ক্রোধ, তারই অন্য পিঠে আছে গহন কান্না। এ ছাড়া কোনো বড়ো শিল্প নেই। কিন্তু জীবনের মধ্যে কোথায় আছে তার অস্তিত্ব? এই যে পিঁপড়ের মতো ব্যস্ততা চলছে সমস্ত সংসার জুড়ে, নিয়মে হিসেবে বাঁধা, নির্বোধ ব্যক্তিগত উচ্চাশার হানাহানি, মুহূর্ত থমকে দাঁড়িয়ে যদি কেউ সেই অবোধ চলার উল্টো দিকে তাকান, তার সঙ্গে তৈরি করেন একটা সম্পর্ক, অমনি দেখা দেয় অন্তরালবর্তী এক রোদসীরেখা, জেগে ওঠে আরেকটা ঊর্মিময় দেশ। এই দেখাই, চলতি জীবনের আত্মার সঙ্গে এই গোপন সম্পর্কই কবিতা, এইখানেই ধরা দিতে থাকে ভয়াবহ এক পরিণামহীন মীমাংসাহীন সত্য। আর এই সত্যকেই, এই সম্পর্ককেই আবিষ্কার করে নিতে চায় নীরবতা, শব্দমধ্যবর্তী নিঃশব্দ।’

শঙ্খ ঘোষ বারবার নীরবতার কথা বলেন। মানে, যে কবিতা নীরবতা গড়ে তোলে, তার কথা বলেন। কারণ নীরবতা মানেই সম্পর্ক। পরমের সঙ্গে সম্পর্ক, পরিপার্শ্বের সঙ্গেও সম্পর্ক। এবং আমরা অনুভব করে উঠি যে হ্যাঁ, কোনো কোনো কবিতা আমাদের ভেতরে নীরবতা গড়ে তোলে। কোনো কোনো সংগীত শুনে স্তব্ধ হয়ে যাই আমরা, কোনো কোনো কবিতা পড়ে ডুবে যাই গভীর নীরবতায়। রবীন্দ্রনাথের কথা মনে পড়ে আমাদের। শেষ বেলায়, যাওয়ার সময় তিনি মুখে মুখে রচনা করেন তাঁর শেষ কবিতা, রহস্যময় এক কবিতা— ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি/বিচিত্র ছলনাজালে,/হে ছলনাময়ী।/মিথ্যা বিশ্বাসের ফাঁদ পেতেছ নিপুণ হাতে/সরল জীবনে।/এই প্রবঞ্চনা দিয়ে মহত্ত্বেরে করেছ চিহ্নিত;/তার তরে রাখনি গোপন রাত্রি।’

আমরা স্তব্ধ হয়ে ভাবি, এত যাঁর বিপুল সৃষ্টিসম্ভার, তিনিই কিনা যাওয়ার বেলায় বলছেন, ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি/ বিচিত্র ছলনাজালে/ হে ছলনাময়ী!’ কাকে বললেন তিনি? কার সৃষ্টির পথ ছলনাজালে আকীর্ণ? কে ‘মিথ্যা বিশ্বাসের ফাঁদ’ পেতে রেখেছে ‘সরল জীবনে’? এসব প্রশ্নের উত্তর মেলে না। আর পড়তে পড়তে কবিতার শেষে গিয়ে দেখি, তিনি বলছেন—‘অনায়াসে যে পেরেছে ছলনা সহিতে/সে পায় তোমার হাতে/শান্তির অক্ষয় অধিকার।’

তার মানে, ‘অনায়াসে’ এই ছলনা সইতে হয়? সইতে পারলেই শুধু ‘শান্তির অক্ষয় অধিকার’ পাওয়া যায়, সহজ জীবন পাওয়া যায়, সরল জীবন পাওয়া যায়; নইলে নয়! সহজ লোকের মতো জীবন-যাপনের যে আকাঙ্ক্ষা ও আকর্ষণ আমরা দেখেছিলাম জীবনানন্দের ‘বোধ’ কবিতায়, তারই দূরবর্তী ছায়া কি দেখা যায় রবীন্দ্রনাথের এই শেষ কবিতায়? কে জানে! ‘শান্তির অক্ষয় অধিকার’ পাওয়ার জন্য ‘ছলনা’ সইবার একটা শর্ত হাজির করেছেন রবীন্দ্রনাথ, আর যদি সইতে না পারে কেউ, যদি ছলনাজালে আকীর্ণ সৃষ্টির পথে কেউ বিচরণ করে বেড়ায় অপরিণামদর্শীর মতো, তাহলে? সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি আগেই দিয়েছিলেন অন্য এক কবিতায়—

‘অলৌকিক আনন্দের ভার/বিধাতা যাহারে দেন, তার বক্ষে বেদনা অপার,/তার নিত্য জাগরণ; অগ্নিসম দেবতার দান/ঊর্ধ্বশিখা জ্বালি চিত্তে আহোরাত্র দগ্ধ করে প্রাণ।’

সৃজনের ক্ষমতা যাদের থাকে, অন্যদের জন্য যাঁরা উপহার দেন অলৌকিক আনন্দ, তাঁদের বুকে থাকে অপার বেদনা। থাকতে হয়। না হলে কিভাবে রচিত হবে মানুষের বিপন্নতা ও নিমগ্নতার মুহূর্ত, কিভাবে রচিত হবে মানুষের বেদনা ও দীর্ঘশ্বাসের ইতিহাস? এই সব পড়ি আর অনুভব করে উঠি, আমাদের চারপাশে নেমে এসেছে অভাবনীয় স্তব্ধতা, গড়ে উঠেছে এক গভীর-বিপুল-অপূর্ব নীরবতা।



মন্তব্য