kalerkantho


পোশাক শ্রমিকদের জন্য ‘পুষ্টি চাল’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ঢাকায় ১৩ ও চট্টগ্রামে ৭ পোশাক কারখানার কর্মজীবী নারীদের দেওয়া হচ্ছে ‘পুষ্টি চাল’। ২০১৩ সাল থেকে দেশে পুষ্টি চালের ব্যবহার শুরু হয়। কর্মজীবী নারী ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে সরকার ও জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে নেদারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে ও রয়েল ডিএসএমর সহায়তায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শনিবার চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার সম্মেলন কক্ষে ‘এডেকোয়েট নিউট্রিশন ফর ওয়ার্কার্স অ্যান্ড করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি’ শীর্ষক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

কর্মশালায় জানানো হয়, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশের প্রায় ২৫ লাখ কর্মজীবীর মাঝে পুষ্টি চাল ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে। শুধু গত বছর প্রায় ১২ লাখ কর্মজীবী নারী ও শিশুকে পুষ্টি চাল খাওয়ানো হয়। চলতি বছরে ২০ লাখ কর্মজীবী নারীর মাঝে পুষ্টি চাল সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

কর্মশালায় আলোচকরা জানান, পুষ্টি চালে খাদ্যের ছয়টি উপাদান ভিটামিন এ, আয়রন, জিঙ্ক, আয়োডিন, ভিটামিন বি১২ রয়েছে। সাধারণ চালে ১০:১০০ অনুপাতে এসব উপাদান যুক্ত করা হয়।

মেয়র নাছির উদ্দীন বলেন, ‘পুষ্টি চালের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য আমাদের প্রত্যেককে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশ-এর হেড অব প্রোগ্রাম রেজাউল করিম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এডিশনাল সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ড. মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ ভাইস প্রেসিডেন্ট গওহর সিরাজ জামিল, চট্টগ্রাম ওমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি আবিদা মোস্তফা, বিকেএমইএ ফরমার ডিরেক্টর রাজীব দাশ সুজয় প্রমুখ।



মন্তব্য