kalerkantho


পটিয়ায় গ্রামের বাড়িতে হাসপাতাল করার স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেল আইয়ুব বাচ্চুর

১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



পটিয়ায় গ্রামের বাড়িতে হাসপাতাল করার স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেল আইয়ুব বাচ্চুর

চট্টগ্রামের পটিয়ার খরনা গ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর দাদার বাড়িতে স্বজনদের আহাজারি। গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর অকাল মৃত্যুর খবরে পটিয়ায় তাঁর গ্রামের বাড়ি খরনায় শোকের ছায়া নেমে আসে। আইয়ুব বাচ্চুর বাবা মো. ইসহাক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ব্যবসার কারণে স্বাধীনতার পর থেকে তিনি চট্টগ্রাম নগরের এনায়েতবাজারে নিজ বাসভবনে বসবাস শুরু করেন। তাঁর দাদা মরহুম নুরুজ্জামান সওদাগরও ছিলেন দানবীর ও সমাজহিতৈষী। তিনি খরনা এলাকায় জনকল্যাণে ১১টি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন এবং জমি দান করেন।

আইয়ুব বাচ্চুও তাঁর দাদার দেখানো পথে খরনার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় একটি হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন দেখতেন বলে গ্রামের বাড়িতে থাকা দাদিমা মনোয়ারা বেগম, রহিমা বেগম ও চাচা আবদুল আজিজ জানিয়েছেন

বৃহস্পতিবার দুপুরে আইয়ুব বাচ্চুর গ্রামের বাড়িতে গেলে আলাপকালে তাঁর স্বজনরা বলেন, তাঁর দাদা নুরুজ্জামান সওদাগর উদার মনের দানবীর ছিলেন। তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে অনেক কাজ করেছেন। খরনা নুরুজ্জামান সওদাগরহাট, মুজাফ্ফরাবাদ এন জে উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি ও কৃষি অফিসের জন্য জমি দান করেছেন তিনি। এ ছাড়া মসজিদ-মাদরাসা মিলিয়ে প্রায় ১১ প্রতিষ্ঠানের জন্য জমি দান করেছিলেন নুরুজ্জামান। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের পাশে যে জমি রয়েছে, সেখানে আইয়ুব বাচ্চু একটি হাসপাতাল করার কথা বলেছিলেন।

তাঁর চাচা আবদুল আজিজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বশেষ চট্টগ্রাম নগরের এনায়েত বাজারের বাসায় আমার সঙ্গে আইয়ুব বাচ্চুর কথা হয়। ওই সময়ে সে গ্রামের মানুষের খবরা-খবর নেয় এবং গ্রামবাসীর চিকিৎসায় একটি হাসপাতাল করার পরিকল্পনার কথা বলে। তাঁর সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেল।’

তিনি জানান, খরনা গ্রামের বাসিন্দারা আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে শোকাহত। অকালে ঘরের কৃতী ছেলেকে হারিয়ে সবাই নির্বাক।

‘আমরা আশাবাদী আইয়ুব বাচ্চুর হাসপাতাল করার সেই স্বপ্ন পূরণে সরকার এগিয়ে আসবে।’-যোগ করেন তাঁর চাচা আবদুল আজিজ।



মন্তব্য