kalerkantho


প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



‘দেশের স্বাধীনতা অর্জনের আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেছিল। সে সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। এটি বাংলাদেশের একটি সরকারি বহু অনুষদভিত্তিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৬৬ সনে স্থাপিত হয়। দেশের ৩য় এবং ক্যাম্পাস আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আহমদ সালাউদ্দিন, সহসভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ-উন-নবী, সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ তারিকুল হাসান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অলক পাল, যুগ্ম সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মনজুরুল আলম, ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, ড. লায়লা খালেদা, ড. মু. গোলাম কবীর প্রমুখ।

মেয়র চট্টগ্রামের উন্নয়ন বিষয়ে নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া শিক্ষার পরিবেশ, সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার বিষয়ে নেতৃবৃন্দকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

 



মন্তব্য