kalerkantho


চকরিয়ায় কিশোরের লাশ উদ্ধার

টেকনাফে ‘রোহিঙ্গাডাকাত’ নিহত, আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার ও চকরিয়া প্রতিনিধি   

৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



টেকনাফে নয়াপাড়া শিবিরে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ‘রোহিঙ্গাডাকাত’ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম হোসেন আলী ওরফে সোর্স বাইল্যা (৩০)। দুই ‘রোহিঙ্গাডাকাত’ এর মধ্যে গোলাগুলিতে তিনি নিহত হন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ই-ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ সালামের ছেলে হোসেন আলীকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে।

এ সময় আনসার ক্যাম্পে হামলা, অস্ত্রলুট ও আনসার কমান্ডার হত্যা মামলার জামিনে আসা এইচ-ব্লকের মৃত লাল বুইজ্জার ছেলে ডাকাত নুরুল আলম অস্ত্রধারীদের ধাওয়া করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিবিদ্ধ বাইল্যাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্প হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান।

পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ একই ব্লকের মৃত বেঁচা আলীর ছেলে আব্দু রাজ্জাক ও সালামকে আটক করে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া জানান, নিহতের মা আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ধৃত দুজনসহ ৫/৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজের একদিন পর কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা দুটার দিকে চকরিয়ার মেধাকচ্ছপিয়া গ্রামের লবণমাঠের কাছে বহলতলী খালে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। তার মো. ছাদেক (১৫)। সে ওই এলাকার কবির আহমদের ছেলে।

বাবা কবির আহমদ বলেন, ‘কয়েকমাস আগে বাড়ির কাছে লবণমাঠের বহলতলী খালে গেলে আমার ছেলের শরীরে জ্বিনের আছর লাগে। এর পর তাকে আর বাড়িতে রাখা যাচ্ছিল না। উপায় না দেখে মাসের পর মাস বাড়িতে শিকল দিয়ে বেঁধেও রাখা হয়। কিন্তু বুধবার বিকেলে পরিবার সদস্যদের অজান্তে ছাদেক নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। এর পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পাই ছেলের লাশ বহলতলী খালে ভাসছে, যেখানে তার শরীরে জ্বিনের আছর লেগেছিল।’

চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী পরিবার সদস্যদের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


মন্তব্য