kalerkantho


বগুড়ার পরিবহন খাত

মাসে দুই কোটি টাকা চাঁদা তুলছে ১০ সিন্ডিকেট

এস এম আজাদ ও লিমন বাসার, বগুড়া থেকে    

৫ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:৪১



মাসে দুই কোটি টাকা চাঁদা তুলছে ১০ সিন্ডিকেট

বগুড়ায় পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। চাঁদাবাজির খাত তৈরি করতে রাস্তায় নামানো হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ যানবাহন। ১০টি সিন্ডিকেটের নামে প্রতি মাসে প্রায় দুই কোটি টাকা চাঁদা তোলা হচ্ছে। এর মধ্যে পাঁচটি গ্রুপ যুবলীগের। একটি স্বেচ্ছাসেবক লীগের, তিনটি গ্রুপ শ্রমিক লীগের। বগুড়ার বহিষ্কৃৃত শ্রমিক লীগ নেতা ও মা-মেয়ে নির্যাতন মামলার আসামি তুফান সরকারের চাঁদাবাজির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুলিশের সামনে দিয়েই ঢাকা-রংপুর ও বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। ‘টোকেন বাণিজ্যে’র মাধ্যমে চলছে তিন চাকার এসব যান। সিএনজি অটোরিকশা, ইজি বাইক, চার্জার ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও দূরপাল্লার বাস-কোচ, ট্রাকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকার চাঁদাবাজি হচ্ছে। পুলিশও সিন্ডিকেটের কাছ থেকে চাঁদা নেয় বলে দাবি করছেন শ্রমিক নেতারা।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ট্রাফিক পুলিশের তথ্য মতে, বগুড়া শহরকেন্দ্রিক প্রায় ২০ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে।

এর মধ্যে মাত্র পাঁচ হাজারের নিবন্ধন আছে। এসব যানের কারণে শহরজুড়ে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বগুড়া শহরকেন্দ্রিক এসব অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করে যুবলীগের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাঁচটি কমিটি। দত্তবাড়ী স্ট্যান্ডে একটি, চেলোপাড়ার দুটি, গোহাইল সড়কের একটি, পূর্ব বগুড়া মালিক সমিতি ও স্টেশন সড়কে একটি সংগঠনের নামে যুবলীগের নেতারা কমিটি করেছেন। দত্তবাড়ী নিয়ন্ত্রণ করে যুবলীগ সদস্য মিঠু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন। চেলোপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে যুবলীগের সদস্য বড় আনন্দ ও সংগ্রামের। সূত্রাপুরের গোয়াইল রোডে জেলা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি আলহাজ শেখের নিয়ন্ত্রণে চলে অটোরিকশা। চারমাথা নিয়ন্ত্রণ করেন যুবলীগের সদস্য এরশাদ ও খোরশেদ। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলুর নামে শেরপুর সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পূর্ব বগুড়া মালিক সমিতির নামে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য করিম ও শহর যুবলীগের সহসভাপতি আব্দুল মতিন প্রামাণিক চাঁদা তোলেন।

চাঁদাবাজরা প্রতিদিন বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী প্রায় তিন হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যানে ২০ টাকা করে ৬০ হাজার, ৫০০ ইজি বাইকে ৩০ টাকা করে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। প্রতিটি রিকশা ও ভ্যানের মালিককে সমিতির সদস্যভুক্ত হওয়ার জন্য এক হাজার ৮০০ টাকা করে দিতে হয়। শহর শ্রমিক লীগের নামে তুফান সরকার এই চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ করত। তুফান গ্রেপ্তারের পর এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

আরেকটি সূত্র জানায়, ট্রাফিক বিভাগ সপ্তাহে তিন দিন অভিযানের নামে ৫০ থেকে ৬০টি চার্জার ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক আটক করে থাকে। দিনে আটক করা এসব যান রাতে ৫০০ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে টাকার জন্য কোনো রসিদ দেওয়া হয় না। দূরপাল্লার বাস থেকে দিনে ও রাতে আড়াই শ টাকা তোলা হয় শ্রমিক লীগের নামে। ৫৫০টি বাস থেকে দিনের টাকা তোলা হয় জেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন শেখ হেলালের নামে। রাতের টাকা তোলা হয় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল লতিফ মণ্ডলের নামে। এসব টাকার ৪৫ শতাংশ যায় জেলা বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের পকেটে।

জেলা ট্রাক মালিক সমিতি বগুড়ার ওপর দিয়ে চলাচলকারী প্রায় ৫০০ ট্রাক থেকে ৭০ থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা তুলছে। এর মধ্যে ৪০ টাকা সংগঠনের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি টাকা লাইন খরচের নামে আদায় করা হচ্ছে। শহর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান ও তুফানের ভাই মতিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ট্রাক সমিতি। এই সংগঠনের সব সুবিধাই তাঁরা ভোগ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অটোরিকশা চালক ও মালিকরা বলেন, গত ১ আগস্ট থেকে মহাসড়কে সব ধরনের তিন চাকার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এর পরও টোকেন নিয়ে তারা চলছে। নিবন্ধনহীন ১৫ হাজার চালককে বাধ্যতামূলকভাবে মাসিক ৫০০ টাকার টোকেন নিতে হয়। এভাবে অটোরিকশার চালকদের কাছ থেকে মাসে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে সব অটোরিকশার চালককে 'চেইন চাঁদা' হিসেবে দিতে হয় প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ১২০ টাকা। সে হিসাবে ১৫ হাজার অটোরিকশা থেকে চাঁদা তোলা হয় আরো ৩০ লাখ টাকা। প্রতিটি রিকশা ও ভ্যানের মালিককে সমিতির সদস্যভুক্ত হতে আগেই পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

শহরের মাটিডালি মোড়ে অবস্থান করে দেখা যায়, মাটিডালি বিমান মোড়ে ফুলবাড়ী ফাঁড়ির পুলিশের উপস্থিতিতেই মহাসড়কে অটোরিকশা চলছে। খোঁজ করে দেখা গেল এক ঘণ্টায় মহাসড়কে চলাচলকারী ৫৮৮টি অটোরিকশার মধ্যে ৩৯৯টিই ছিল নিবন্ধনবিহীন। সেখানে বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে পাঁচ ও দশ, বগুড়া পৌরসভার নামে পাঁচ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির নামে পাঁচ টাকা করে চাঁদা তোলা হচ্ছে। চাঁদা তোলা দুই যুবক নিজেদের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, তাঁরা সারা দিনে পারিশ্রমিক পান ৩০০ টাকা। তাঁদের কাছ থেকে অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতারা দিন শেষে সব টাকা বুঝে নেন। এই টাকা অটোরিকশার মালিক ও পুলিশের মধ্যে ভাগাভাগি হয়।

সরেজমিনে বনানী মোড়-শেরপুর এবং শাকপালা-নন্দীগ্রাম পথেও অবৈধ অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। বনানী মোড় থেকে শাজাহানপুর থানার সামনে দিয়েই চলাচল করে অটোরিকশা। অন্যদিকে কুন্দারহাট হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধে নিয়মিত তল্লাশি চৌকি বসালেও ওই পথ দিয়েও চলছে অটোরিকশা।

চালকদের কাছ থেকে চাঁদার বেশ কিছু রসিদ সংগ্রহ করে দেখা যায়, রঙিন ছাপা কাগজে মাসের নাম, মালিকের নাম-ঠিকানা, গাড়ির ইঞ্জিন, চেসিস নম্বর উল্লেখ থাকলেও কোনো সংস্থা বা সংগঠনের নামে চাঁদা তোলা হচ্ছে এবং তার পরিমাণ উল্লেখ নেই। এর এক পৃষ্ঠায় চেয়ারম্যান ও সদস্যসচিবের স্বাক্ষর এবং 'এই কার্ড জমাপূর্বক পরবর্তী পারমিট কার্ড প্রদান করা হইবে' উল্লেখ রয়েছে। অন্য পৃষ্ঠায় দুটি হাতির ছবি এবং হাতে লেখা 'কোডাক' শব্দ উল্লেখ রয়েছে।

অটোরিকশার চালকরা জানায়, দত্তবাড়ী থেকে মহাস্থান বা মোকামতলায় প্রতি খেপে ৩৫ টাকা 'চেইন চাঁদা' দিতে হয়। এর বাইরে পৌরসভার পাঁচ টাকা, সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের পাঁচ টাকা, কেন্দ্রীয় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ১০ টাকা এবং সংগঠনটির মাটিডালি শাখায় পাঁচ টাকা হারে চাঁদা দিতে হয়। ফিরতি পথেও একই অঙ্কের চাঁদা গুনতে হয়। সাতমাথা থেকে শেরপুর পথে ৬০ টাকা 'চেইন চাঁদা' এবং পৌরসভা ও শ্রমিকদের আরো ২৫ টাকা দিতে হয়। আবদুর রশিদ নামে এক অটোরিকশাচালক বলেন, তাঁর অটোরিকশার নিবন্ধন নেই। কিন্তু তাতে সমস্যা হয় না। মাসে ৫০০ টাকা দিয়ে টোকেন নিলেই কেউ ঝামেলা করে না।

আটোরিকশার চালক বাবলু মিয়া বলেন, বগুড়ার কিচক বাসস্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি শুরু হয়। সেখানে দত্তবাড়ী অটোরিকশা মালিক সমিতির নামে ৩৫ টাকা, পথে শিবগঞ্জ পৌরসভার ১০ টাকা এবং মহাস্থানে পৌঁছামাত্র মাসে একবার ৫০০ টাকায় টোকেন নিতে হয়। চাঁদা না দিলে অটোরিকশা আটকে রাখা হয়।

ভুক্তভোগী শ্রমিকরা জানায়, রাতে শহরের সাতমাথা, চারমাথা, তিনমাথা ও মাটিডালি মোড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস, কোচ ও ট্রাক থেকে ২৫০ টাকা করে আদায় করা হয়। নিয়োগকারী নেতাদের প্রতি রাতে ৬০ হাজার টাকা পরিশোধের পর অবশিষ্ট টাকা আদায়কারীরা ভাগ করে নেয়।

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন : সংগঠনের নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজির ব্যাপারে বগুড়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু বলেন, 'যারা এসব চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত তারা বেশির ভাগই যুবলীগের সাবেক কমিটিতে ছিল। নতুন কমিটি না হওয়ায় সংগঠনের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা বলা যাবে না। তবে কেউ কেউ যুবলীগের সদস্য হিসেবে ছিল।'

সংগঠনের নামে চাঁদার ব্যাপারে বগুড়া জেলা অটোটেম্পো, অটোরিকশা ও সিএনজি পরিবহন মালিক সমন্বয় কমিটি এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুর রহমান দুলু বলেন, 'হাইওয়ে রোডে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলার কথা নয়, এর পরও চলছে। মাসিক টোকেনের টাকা যায় পুলিশের পকেটে। শেরপুর রুটের চালকদের কাছ থেকে এ চাঁদা তোলা হয় না। চেইন বাবদ যে টাকা তোলা হয়, তা সংগঠনের উন্নয়ন ও শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।'

বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দিন শেখ হেলাল বলেন, অটোরিকশা থেকে যে চাঁদা তোলা হয় তার ১০ টাকা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন পায়। বাকিটা সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতি নেয়। একটি অংশ পুলিশও নেয়। বাস থেকে চাঁদা তোলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে ফেডারেশনের অনুমতি আছে।

তবে বগুডার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'কোথাও চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ নেই। যেখানে বলা হচ্ছে সেখানেই আমরা কাজ করছি। অটোরিকশা থেকে তুফান সরকারের চাঁদাবাজি ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।'

হাইওয়ে পুলিশের বগুড়ার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেন, মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধে হাইওয়ে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের কেউ টাকা নিয়ে মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ করে দিচ্ছে না। চাঁদার ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখানো হচ্ছে সব সময়।  

শহর পরিস্থিতির জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) বিকর্ণ কুমার  চৌধুরী বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে অটোরিকশায় চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

সংবাদের প্র্রতিবাদ : গতকাল কালের কণ্ঠে প্রকাশিত 'মোহন-মতিন বিরোধে ধুঁকছে বগুড়া আ. লীগ' শিরোনামের সংবাদের কিছু অংশের প্রতিবাদ জানিয়েছে বগুড়া জেলা যুবলীগ। গতকাল জেলা শাখার সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, 'বগুড়া শহরে দখল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অবৈধ আয় নিয়ে বগুড়া জেলা যুবলীগের দুই পক্ষের যে দ্বন্দ্ব তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয়। বগুড়া জেলা যুবলীগকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং বগুড়া জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আক্রমণ করে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে, যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, নিন্দনীয়।' যুবলীগের বিরোধের জের ধরে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটেনি বলেও প্রতিবাদপত্রে দাবি করা হয়।  

সংশোধনী : গতকালের প্রতিবেদনে ভুলবশত মতিন সরকারকে জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং উজ্জল হত্যা মামলায় মঞ্জুরুল আলম মোহনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মতিন বগুড়া শহর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক। আর মোহন নয়, উজ্জল হত্যা মামলায় মতিনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে।



মন্তব্য