kalerkantho


ডাক্তার সংকটে ধুঁকছে রামপালের মানুষ

হাওলাদার আ. হাদি, রামপাল (বাগেরহাট)   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চিকিৎসক সংকটের কারণে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। প্রত্যাশিত চিকিৎসাসেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রোগীরা।

উপজেলা সদর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঝনঝনিয়া এলাকায় স্থাপিত ৫০ শয্যার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১২৭টি পদ আছে। কিন্তু বেশির ভাগ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ মাত্র তিনজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রশাসনিক কাজে সব সময় ব্যস্ত থাকেন। বাকি দুজন চিকিৎসক বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের ঘুরেফিরে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।

জানা গেছে, কিছুদিন আগেও পাঁচজন চিকিৎসক ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি জুনিয়র কলসালট্যান্ট ডা. ফরিদ উদ্দিনকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ও ডা. এ বি এম হাবিবুল্যাহকে কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে প্রেষণে বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তাসহ ২৬ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদাসম্পন্ন দুজন নার্সিং সুপারভাইজারসহ ১৩ জন নার্সের পদ খালি রয়েছে।

বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২৫০-৩০০ রোগী আসে। মাত্র দুজন ডাক্তারের পক্ষে এত রোগী দেখা সম্ভব হয় না।

উপজেলার তালবুনিয়া এলাকার পারভীন নামের এক নারী গতকাল চিকিৎসা নিতে এসে মহিলা ডাক্তার না থাকায় ফিরে গেছেন। কাদিরখোলা এলাকার আকলিমা বেগম নামের আরেক নারী বলেন, ‘আমার স্বামী আ. হামিদ গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় ফিরে যাচ্ছি।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাছুম ইকবাল বলেন, শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সংসদ সদস্য হাবিবুন নাহারকে জানানো হয়েছে।



মন্তব্য