kalerkantho

ফেসবুক থেকে

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেসবুক থেকে

দি আমব্রেলা একাডেমি

দি আমব্রেলা একাডেমি [২০১৯-]

নেটফ্লিক্স অরিজিনাল

ব্ল্যাক কমেডি, সাইফাই, সুপারহিরো

 

► ১ অক্টোবর ১৯৮৯। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে একই সময়ে জন্ম নেয় ৪৩টি শিশু। যদিও এর আগে তাদের জন্মদাত্রীদের কেউই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন না। এই ৪৩ শিশুর মধ্য থেকে ৭টি শিশুকে দত্তক নেন বিলিয়নেয়ার রেজিনাল্ড হারগ্রিভস। জাতি-বর্ণ, স্বভাব-চরিত্র সব দিক দিয়েই একে অপরের চেয়ে আলাদা তারা প্রত্যেকেই। কিন্তু তাদের মাঝে রয়েছে একটি বিশেষ মিল—প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সুপারপাওয়ারের অধিকারী। যদিও এই নিয়মের ব্যতিক্রম তাদের পরিবারের সপ্তম সদস্য—নাম্বার সেভেন, সে অন্য ভাই-বোনদের মাঝে একমাত্র ‘সাধারণ’ সদস্য। এই খুদে সুপারহিরোদের নিয়ে গড়ে ওঠে ‘দি আমব্রেলা একাডেমি’। তাদের উদ্দেশ্য অন্য আর দশটা সুপারহিরোর মতোই—পৃথিবীকে রক্ষা করা। কিছুদিনের মধ্যেই তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে এই খুদে সুপারহিরোদের দল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ভাই-বোনদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। বাবার আচরণে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে একে একে সবাই এই একাডেমি ছেড়ে চলে যায়। এরপর প্রায় ২০ বছর পরের ঘটনা। তাদের কেউ এখন জনপ্রিয় অভিনেতা, কেউ হেরোইন আসক্ত, তো কেউ আবার বছরের পর বছর ধরে নিখোঁজ। দুনিয়ার একেক প্রান্তে থাকা এই ভাই-বোনদের আবার একত্র করে তাদের বাবার রহস্যময় মৃত্যু। সেই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরেক ভয়াবহ তথ্য—কয়েক দিনের মধ্যেই এই পৃথিবী ধ্বংস হতে যাচ্ছে। তারা কি পারবে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে? খুবই সাধারণ একটি প্লট। কিন্তু যে ব্যাপারটি এই সিরিজকে আর দশটা সুপারহিরো সিরিজ থেকে আলাদা বানিয়েছে তা হচ্ছে এর মেকিং। স্টাইলিশ স্টোরি টেলিং, হিউমার আর সিরিয়াসনেসের সংমিশ্রণ, সেই সঙ্গে মাইন্ড ব্লোয়িং কিছু সাউন্ড ট্র্যাক। মেকিং দেখে অনেকটাই ‘লিজিন’-এর কথা মনে পড়ছিল। স্টোরি আর এলেন পেজের কারণে বারবার ‘এক্স-মেন’-এর কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছিল। সব ক্যারেক্টারের মধ্যে সবচেয়ে ভালো লেগেছে নাম্বার ফাইভকে। এই রোলে ১৫ বছরের পিচ্চি এইডন গ্যালানহার দারুণ অভিনয় করেছে! ক্লাউস ক্যারেক্টারটাও অনেক ভালো লেগেছে। এলেন পেইজের ক্যারেক্টারটা কিছুটা বিরক্তিকর মনে হয়েছে। ভিন্ন ধাঁচের সুপারহিরো সিরিজের খোঁজে থাকলে দেখে ফেলুন!

তানজীম রাহাত

সিরিয়ালখোর গ্রুপের পোস্ট

 

মন্তব্য