kalerkantho


ফেসবুক থেকে

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ফেসবুক থেকে

দ্য ফল

দ্য ফল [২০১৩-২০১৬]

ক্রাইম, থ্রিলার

দেশ : যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড

ভাষা : ইংরেজি

 

►    বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড। এক প্রভাবশালী পার্লামেন্ট মেম্বারের পুত্রবধূর খুন। স্থানীয় পুলিশ খুনের রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হওয়ায় ইংল্যান্ড থেকে গোয়েন্দা স্টেলা গিবসনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তুখোড় গোয়েন্দা স্টেলা এই খুনের প্যাটার্নের সঙ্গে আরো কয়েকটি খুনের সাদৃশ্য খুঁজে পায়। বুঝতে পারে, খুনি একজনই। পল স্পেক্টার, পেশায় গ্রিফ কাউন্সিলর। একজন দায়িত্ববান স্বামী, স্নেহময় পিতা। কিন্তু তার আরেকটি রূপও আছে। একের পর এক এই বীভৎস হত্যাকাণ্ডগুলো সে-ই করছে (প্রথম পর্বেই দেখানো হয়)। শুরু হয় স্টেলা বনাম পলের ইঁদুর-বিড়াল খেলা। সিরিয়ালটার প্রথম সিজন ২০১৩ থেকেই ল্যাপটপে পড়ে ছিল। দেখব দেখব করেও দেখা হয়নি। হঠাৎ কি মনে করে প্রথম পর্ব দেখে আর থামতে পারিনি। একদিক থেকে ভালোই হয়েছে। তিন সিজন একসঙ্গেই দেখতে পেরেছি। স্টেলা গিবসন আমার দেখা অন্যতম সেরা নারী চরিত্র। তিনি শার্লকের মতো সুপার জিনিয়াস নয়, আবার বিভিন্ন টিভি সিরিজের গোয়েন্দাদের মতো ইম্পালসিভও নয়। এই মহিলার অভিনয় নিয়ে কিছু বলার মতো দুঃসাহস আমার নেই। আমার দৃষ্টিতে তিনি টিভির মেরিল স্ট্রিপ। অন্য বেশির ভাগ সিরিজেই প্রধান চরিত্রকে মাঝেমধ্যেই আইন অমান্য করে কাজ করতে দেখা যায়। কিন্তু একচুল আইনের বাইরে না গিয়েও যে সুষ্ঠুভাবে পুলিশি প্রসিডিউর চালানো সম্ভব তা এই সিরিয়ালে চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। আর কী মারাত্মক সব ডিটেইলস রে বাবা! আগে মনে করতাম, সিরিয়াল কিলার মানে নিঃসঙ্গ এক বিকৃত মস্তিষ্কের লোক। সারা গায়ে অদ্ভুত সব উল্কি আঁকা, থাকে অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে এক ঘরে। কিন্তু এই ধারণা ‘দ্য ফল’-এ পুরোপুরি দুমড়েমুচড়ে দেওয়া হয়েছে। সংসারী, ছোট দুই বাচ্চার বাবাও যে এমন সাইকোপ্যাথ হতে পারে তা এই সিরিয়ালে প্রথম দেখলাম।

 

তাজিম রহমান নীশিথ

সিরিয়ালখোর গ্রুপের পোস্ট

 



মন্তব্য